বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সামনে রেখে ঢাকায় কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিক ও মিশন কর্মকর্তাদের পরিবার/নির্ভরশীলদের দেশে ফেরাতে বলেছে ভারত—রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ভারত এটিকে সতর্কতামূলক “অভ্যন্তরীণ পুনর্বিন্যাস” হিসেবে দেখালেও সময়টা গুরুত্বপূর্ণ: নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে কূটনৈতিক মহলের টেনশন বাড়ছে।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিক্ষোভ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে দিল্লি যে নিজস্ব নিরাপত্তা মূল্যায়ন কঠোর করেছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ইঙ্গিত। বিশেষ করে বিদেশি মিশন-ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হলে অনেক দেশই আগে পরিবার সরিয়ে নেয়—কারণ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় দ্রুত কূটনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বাড়ে। পরিবার ফেরানোর খবর বাইরে থেকে দেখা হলে মনে হতে পারে—পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র ‘উচ্চ ঝুঁকি’ ধরেই এগোচ্ছে। এতে কূটনৈতিক বার্তা যায় দুদিকে: একদিকে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর চাপ, অন্যদিকে দিল্লির নিজস্ব নিরাপত্তা অবস্থান স্পষ্ট হয়।

সম্পর্ক ইতিমধ্যে সংবেদনশীল পর্যায়ে আছে—বিশেষ করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ, রাজনৈতিক আশ্রয় ও নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রসঙ্গগুলো আলোচনায়। এমন সিদ্ধান্তের পর জনপরিসরে ভুল ব্যাখ্যা বা অতিরঞ্জিত প্রচার হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এটি ভোটের আগে ‘স্থিতিশীলতা’ দেখানোর চাপও বাড়িয়ে দেয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















