০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
ডেভিড–ভিক্টোরিয়ার ব্র্যান্ড বনাম পরিবারের সম্পর্ক, বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন ব্রুকলিন বেকহাম আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিসায় নতুন শর্ত, দিতে হতে পারে বড় অঙ্কের বন্ড শারজাহে দুই মিলিয়ন দিরহাম গবেষণা অনুদান চালু, ফায়া মানব ইতিহাস গবেষণায় নতুন দিগন্ত নিতিন নবীন বিজেপির নতুন জাতীয় সভাপতি, সবচেয়ে কম বয়সে শীর্ষ পদে সংবিধানের চেতনা দুর্বল করছে শাসকগোষ্ঠী, রায়বরেলিতে তীব্র আক্রমণ রাহুল গান্ধীর  ২০২৬ ‘ব্রিজ ইয়ার’—পোশাক খাতে স্থিতিশীলতা আছে, কিন্তু টেক-অফের আগে সময় কমছে আফগান বাণিজ্য বন্ধে বাধ্য পাকিস্তান, সন্ত্রাস দমনে কাবুলের অনীহার অভিযোগ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে শুল্ক-চাপ থেকে সিরিয়া যুদ্ধবিরতি—বিশ্ব রাজনীতিতে অর্থনীতি ‘অস্ত্র’ হয়ে উঠছে সংযুক্ত আরব আমিরাত–ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: বাণিজ্য দ্বিগুণের লক্ষ্য থেকে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব রয়টার্স বলছে বাংলাদেশে ইসলামপন্থি রাজনৈতিক শক্তির উত্থান—মধ্যপন্থিদের উদ্বেগ, নির্বাচনের আগে নতুন সমীকরণ

 নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকায় ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফেরানোর সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সামনে রেখে ঢাকায় কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিক ও মিশন কর্মকর্তাদের পরিবার/নির্ভরশীলদের দেশে ফেরাতে বলেছে ভারত—রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ভারত এটিকে সতর্কতামূলক “অভ্যন্তরীণ পুনর্বিন্যাস” হিসেবে দেখালেও সময়টা গুরুত্বপূর্ণ: নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে কূটনৈতিক মহলের টেনশন বাড়ছে।

নির্বাচনের 'প্রত্যাশিত অনুকূল পরিবেশ' না থাকলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে?  - BBC News বাংলা

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিক্ষোভ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে দিল্লি যে নিজস্ব নিরাপত্তা মূল্যায়ন কঠোর করেছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ইঙ্গিত। বিশেষ করে বিদেশি মিশন-ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হলে অনেক দেশই আগে পরিবার সরিয়ে নেয়—কারণ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় দ্রুত কূটনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।

নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বাড়ে। পরিবার ফেরানোর খবর বাইরে থেকে দেখা হলে মনে হতে পারে—পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র ‘উচ্চ ঝুঁকি’ ধরেই এগোচ্ছে। এতে কূটনৈতিক বার্তা যায় দুদিকে: একদিকে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর চাপ, অন্যদিকে দিল্লির নিজস্ব নিরাপত্তা অবস্থান স্পষ্ট হয়।

বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য নিয়ে এক বছর পূর্ণ করল অন্তর্বর্তী সরকার |  এক নজরে | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

সম্পর্ক ইতিমধ্যে সংবেদনশীল পর্যায়ে আছে—বিশেষ করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ, রাজনৈতিক আশ্রয় ও নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রসঙ্গগুলো আলোচনায়। এমন সিদ্ধান্তের পর জনপরিসরে ভুল ব্যাখ্যা বা অতিরঞ্জিত প্রচার হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এটি ভোটের আগে ‘স্থিতিশীলতা’ দেখানোর চাপও বাড়িয়ে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেভিড–ভিক্টোরিয়ার ব্র্যান্ড বনাম পরিবারের সম্পর্ক, বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন ব্রুকলিন বেকহাম

 নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকায় ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফেরানোর সিদ্ধান্ত

০৫:০৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সামনে রেখে ঢাকায় কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিক ও মিশন কর্মকর্তাদের পরিবার/নির্ভরশীলদের দেশে ফেরাতে বলেছে ভারত—রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ভারত এটিকে সতর্কতামূলক “অভ্যন্তরীণ পুনর্বিন্যাস” হিসেবে দেখালেও সময়টা গুরুত্বপূর্ণ: নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে কূটনৈতিক মহলের টেনশন বাড়ছে।

নির্বাচনের 'প্রত্যাশিত অনুকূল পরিবেশ' না থাকলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে?  - BBC News বাংলা

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিক্ষোভ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে দিল্লি যে নিজস্ব নিরাপত্তা মূল্যায়ন কঠোর করেছে, এই সিদ্ধান্ত তারই ইঙ্গিত। বিশেষ করে বিদেশি মিশন-ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হলে অনেক দেশই আগে পরিবার সরিয়ে নেয়—কারণ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় দ্রুত কূটনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।

নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বাড়ে। পরিবার ফেরানোর খবর বাইরে থেকে দেখা হলে মনে হতে পারে—পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র ‘উচ্চ ঝুঁকি’ ধরেই এগোচ্ছে। এতে কূটনৈতিক বার্তা যায় দুদিকে: একদিকে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর চাপ, অন্যদিকে দিল্লির নিজস্ব নিরাপত্তা অবস্থান স্পষ্ট হয়।

বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য নিয়ে এক বছর পূর্ণ করল অন্তর্বর্তী সরকার |  এক নজরে | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

সম্পর্ক ইতিমধ্যে সংবেদনশীল পর্যায়ে আছে—বিশেষ করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ, রাজনৈতিক আশ্রয় ও নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রসঙ্গগুলো আলোচনায়। এমন সিদ্ধান্তের পর জনপরিসরে ভুল ব্যাখ্যা বা অতিরঞ্জিত প্রচার হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এটি ভোটের আগে ‘স্থিতিশীলতা’ দেখানোর চাপও বাড়িয়ে দেয়।