১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
উদারতাবাদের ক্লান্তি ও পুনর্জাগরণের সন্ধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে অস্বীকার: এরপর কী, কী বলছে নিয়ম পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন, দুই শিশুকে ঘিরে তোলপাড় গ্রামীণ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্তদের আন্দোলন স্থগিত, ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস এপ্রিলে মব ভায়োলেন্সে ২২ নিহত, রাজনৈতিক সংঘাতে আরও ৬: এইচআরএসএস প্রতিবেদন ৩৯ কর্মকর্তার বড় রদবদল, এক দিনে বদলি ৯ ডিআইজি এক ভোটেই হার-জিত: তামিলনাড়ু ভোটে সাবেক মন্ত্রীর পরাজয়, ‘সারকার’-এর বার্তা ফের প্রমাণিত বাংলা-আসাম ফলাফল ঘিরে গণতন্ত্রে হুমকি, ঐক্যের ডাক রাহুল গান্ধীর সংসার যখন চালায় ভাগ্য, তখন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে? গ্রামেও ভ্যাট বসাতে চায় সরকার, টোকেন কর নিয়ে নতুন পরিকল্পনা

দেশে আস্থার সংকট, বাংলাদেশি বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য ভারত

দেশের ভেতরে বিনিয়োগ কার্যক্রম যখন স্থবির, ঠিক তখনই ভারতের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বড় একটি অংশ। নতুন শিল্প-কারখানা না হওয়া, কর্মসংস্থান সংকট, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ এবং রাজনৈতিক ও আইন-শৃঙ্খলার অনিশ্চয়তা মিলিয়ে দেশে বিনিয়োগের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতায় ভারত হয়ে উঠছে তুলনামূলক নিরাপদ ও পরিচিত বিনিয়োগ গন্তব্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিদেশে বাংলাদেশিদের মোট বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় অংশই গেছে ভারতে। কয়েক বছরে এই বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে নিট বিনিয়োগের হার অস্বাভাবিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী। অর্থনীতিবিদদের মতে, ভারতের বড় বাজার, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করছে।

দিল্লির কূটনৈতিক এলাকার ভেতরে বিক্ষোভকারীরা কিভাবে এলো, প্রশ্ন ঢাকার -  উন্নয়নসংবাদডটকম

তবে এই প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগও কম নয়। বিশ্লেষকদের মতে, দেশে যখন পুঁজি বিনিয়োগ না হয়ে বিদেশে চলে যায়, তখন শুধু অর্থ নয়—হারিয়ে যায় কর্মসংস্থান, শিল্প সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশে বিনিয়োগ বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা চাপে পড়তে পারে।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের যুক্তি ভিন্ন। তাঁদের মতে, ঝুঁকি কমাতে ও বাজার ধরে রাখতে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য প্রয়োজন। দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত না হলে এই প্রবণতা থামানো কঠিন হবে। অর্থাৎ, ভারতমুখী বিনিয়োগ শুধু পুঁজি উড়াল নয়, বরং দেশের ভেতরের আস্থার সংকটেরই প্রতিফলন।

জনপ্রিয় সংবাদ

উদারতাবাদের ক্লান্তি ও পুনর্জাগরণের সন্ধান

দেশে আস্থার সংকট, বাংলাদেশি বিনিয়োগের নতুন গন্তব্য ভারত

১১:১৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের ভেতরে বিনিয়োগ কার্যক্রম যখন স্থবির, ঠিক তখনই ভারতের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বড় একটি অংশ। নতুন শিল্প-কারখানা না হওয়া, কর্মসংস্থান সংকট, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ এবং রাজনৈতিক ও আইন-শৃঙ্খলার অনিশ্চয়তা মিলিয়ে দেশে বিনিয়োগের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতায় ভারত হয়ে উঠছে তুলনামূলক নিরাপদ ও পরিচিত বিনিয়োগ গন্তব্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বিদেশে বাংলাদেশিদের মোট বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় অংশই গেছে ভারতে। কয়েক বছরে এই বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে নিট বিনিয়োগের হার অস্বাভাবিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী। অর্থনীতিবিদদের মতে, ভারতের বড় বাজার, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করছে।

দিল্লির কূটনৈতিক এলাকার ভেতরে বিক্ষোভকারীরা কিভাবে এলো, প্রশ্ন ঢাকার -  উন্নয়নসংবাদডটকম

তবে এই প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগও কম নয়। বিশ্লেষকদের মতে, দেশে যখন পুঁজি বিনিয়োগ না হয়ে বিদেশে চলে যায়, তখন শুধু অর্থ নয়—হারিয়ে যায় কর্মসংস্থান, শিল্প সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশে বিনিয়োগ বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা চাপে পড়তে পারে।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের যুক্তি ভিন্ন। তাঁদের মতে, ঝুঁকি কমাতে ও বাজার ধরে রাখতে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য প্রয়োজন। দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত না হলে এই প্রবণতা থামানো কঠিন হবে। অর্থাৎ, ভারতমুখী বিনিয়োগ শুধু পুঁজি উড়াল নয়, বরং দেশের ভেতরের আস্থার সংকটেরই প্রতিফলন।