১২:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান অকাস জোটের নতুন পদক্ষেপ: সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি আনছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ডিজিটাল যুগে ভারতের জনশুমারি: ডাকটিকিট থেকে স্মার্টফোনে দীর্ঘ যাত্রা

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফেরানোর সিদ্ধান্তের পেছনে যৌক্তিক কারণ দেখছি না: তৌহিদ হোসেন

ভারতের কূটনীতিকদের ক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য ছাড়া দায়িত্ব পালনের যে সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে, তার পেছনে কোনো বাস্তব বা যৌক্তিক কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশে এমন কোনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যাতে কূটনীতিকদের পরিবার ফিরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন হয়।

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, দেশে বর্তমানে এমন কোনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি নেই, যার কারণে বিদেশি কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হতে হবে। ভারতের কূটনীতিকদের ক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য ছাড়া দায়িত্ব পালনের যে সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে, সেটির পেছনে তিনি কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেন।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বার্তা তিনি এখনো পাননি। কেউ যদি নিজ উদ্যোগে পরিবার নিয়ে ফিরে যেতে চান, সেটি সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের উদ্যোগ বা ভূমিকা নেই বলেও জানান তিনি।

ভারতের সিদ্ধান্ত ও বাংলাদেশের অবস্থান
এর আগে ভারত সরকার ঢাকায় অবস্থিত হাইকমিশন এবং ঢাকার বাইরে থাকা বিভিন্ন মিশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্তের পেছনে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে।

তবে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ বাংলাদেশে ভারতের সব মিশন খোলা রয়েছে এবং পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, নিরাপত্তা বিবেচনায় শুধু নির্ভরশীলদের ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তবে কূটনৈতিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফেরানোর সিদ্ধান্তের পেছনে যৌক্তিক কারণ দেখছি না: তৌহিদ হোসেন

০৭:২৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের কূটনীতিকদের ক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য ছাড়া দায়িত্ব পালনের যে সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে, তার পেছনে কোনো বাস্তব বা যৌক্তিক কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশে এমন কোনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যাতে কূটনীতিকদের পরিবার ফিরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন হয়।

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, দেশে বর্তমানে এমন কোনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি নেই, যার কারণে বিদেশি কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হতে হবে। ভারতের কূটনীতিকদের ক্ষেত্রে পারিবারিক সদস্য ছাড়া দায়িত্ব পালনের যে সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে, সেটির পেছনে তিনি কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছেন না বলেও মন্তব্য করেন।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বার্তা তিনি এখনো পাননি। কেউ যদি নিজ উদ্যোগে পরিবার নিয়ে ফিরে যেতে চান, সেটি সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের উদ্যোগ বা ভূমিকা নেই বলেও জানান তিনি।

ভারতের সিদ্ধান্ত ও বাংলাদেশের অবস্থান
এর আগে ভারত সরকার ঢাকায় অবস্থিত হাইকমিশন এবং ঢাকার বাইরে থাকা বিভিন্ন মিশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্তের পেছনে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে।

তবে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ বাংলাদেশে ভারতের সব মিশন খোলা রয়েছে এবং পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, নিরাপত্তা বিবেচনায় শুধু নির্ভরশীলদের ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তবে কূটনৈতিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।