০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পাকিস্তানের অনড় অবস্থান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ অনিশ্চিত, নকআউটের ভবিষ্যৎও সরকারের হাতে

কলম্বোতে নির্ধারিত ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে অবস্থান বদলাতে নারাজ পাকিস্তান। আসন্ন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে এই বহুল আলোচিত লড়াই আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে চলতেই প্রস্তুত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড, ফলে মাঠে নামা নিয়ে কোনো নমনীয়তার ইঙ্গিত মিলছে না।

সরকারি সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত
আগামী পনেরো ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নির্ধারিত ছিল। তবে রবিবার পাকিস্তান সরকার জানায়, দলটি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না। এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় সংহতি প্রকাশ করতেই এই অবস্থান। এর আগে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কর্তৃপক্ষকে বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।

নকআউট ম্যাচেও অনিশ্চয়তা
সরকারি ঘোষণায় শুধু গ্রুপ পর্বের ম্যাচ নিয়েই কথা বলা হয়েছে। তবে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হলে কী হবে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের যেকোনো নকআউট ম্যাচেও মাঠে নামার অনুমতি পুরোপুরি সরকারের ওপর নির্ভর করবে। অনুমতি না মিললে সেসব ম্যাচেও পাকিস্তান অংশ নেবে না।

আইসিসির উদ্বেগ, শাস্তির আশঙ্কা
সরকারি সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হলেও এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এদিকে সংস্থাটি এক বিবৃতিতে অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। নির্ধারিত ম্যাচ না খেললে ভারত পাবে পূর্ণ পয়েন্ট, আর পাকিস্তানের নেট রান রেট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চুক্তিভিত্তিক নিরপেক্ষ ভেন্যু ব্যবস্থার পরও ম্যাচ বর্জন করায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঝুঁকিও থাকছে।

দলের কণ্ঠে বোর্ডের সুর
দলনেতা সালমান আলী আগার নেতৃত্বে পাকিস্তান দল সোমবার সন্ধ্যায় কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। বিমানবন্দরে তিনি জানান, সরকার ও বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে পুরো দল একমত। তার ভাষ্য, এই টুর্নামেন্ট শুধু একটি দলের বিপক্ষে খেলা নয়, লক্ষ্য পুরো আসর জেতা। গ্রুপে আরও তিনটি ম্যাচ রয়েছে, সেগুলো জিতে পরের পর্বে ওঠাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

 

বিশ্বকাপের সূচি
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান দুদলই নিজেদের অভিযান শুরু করবে সাত ফেব্রুয়ারি। ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে, আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। তার আগে চার ফেব্রুয়ারি প্রস্তুতি ম্যাচে ভারত খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, পাকিস্তান খেলবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পাকিস্তানের অনড় অবস্থান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ অনিশ্চিত, নকআউটের ভবিষ্যৎও সরকারের হাতে

০৭:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কলম্বোতে নির্ধারিত ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে অবস্থান বদলাতে নারাজ পাকিস্তান। আসন্ন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে এই বহুল আলোচিত লড়াই আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে চলতেই প্রস্তুত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড, ফলে মাঠে নামা নিয়ে কোনো নমনীয়তার ইঙ্গিত মিলছে না।

সরকারি সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত
আগামী পনেরো ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নির্ধারিত ছিল। তবে রবিবার পাকিস্তান সরকার জানায়, দলটি ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না। এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় সংহতি প্রকাশ করতেই এই অবস্থান। এর আগে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কর্তৃপক্ষকে বাধ্য হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।

নকআউট ম্যাচেও অনিশ্চয়তা
সরকারি ঘোষণায় শুধু গ্রুপ পর্বের ম্যাচ নিয়েই কথা বলা হয়েছে। তবে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হলে কী হবে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের যেকোনো নকআউট ম্যাচেও মাঠে নামার অনুমতি পুরোপুরি সরকারের ওপর নির্ভর করবে। অনুমতি না মিললে সেসব ম্যাচেও পাকিস্তান অংশ নেবে না।

আইসিসির উদ্বেগ, শাস্তির আশঙ্কা
সরকারি সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হলেও এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এদিকে সংস্থাটি এক বিবৃতিতে অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। নির্ধারিত ম্যাচ না খেললে ভারত পাবে পূর্ণ পয়েন্ট, আর পাকিস্তানের নেট রান রেট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। চুক্তিভিত্তিক নিরপেক্ষ ভেন্যু ব্যবস্থার পরও ম্যাচ বর্জন করায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঝুঁকিও থাকছে।

দলের কণ্ঠে বোর্ডের সুর
দলনেতা সালমান আলী আগার নেতৃত্বে পাকিস্তান দল সোমবার সন্ধ্যায় কলম্বোর উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। বিমানবন্দরে তিনি জানান, সরকার ও বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে পুরো দল একমত। তার ভাষ্য, এই টুর্নামেন্ট শুধু একটি দলের বিপক্ষে খেলা নয়, লক্ষ্য পুরো আসর জেতা। গ্রুপে আরও তিনটি ম্যাচ রয়েছে, সেগুলো জিতে পরের পর্বে ওঠাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

 

বিশ্বকাপের সূচি
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান দুদলই নিজেদের অভিযান শুরু করবে সাত ফেব্রুয়ারি। ভারত খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে, আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। তার আগে চার ফেব্রুয়ারি প্রস্তুতি ম্যাচে ভারত খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, পাকিস্তান খেলবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে।