০৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্পের আশ্বাসে রাস্তায়, শেষে বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষোভে জর্জরিত ইরান মার্কিন প্রত্যাহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংকটে, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ধীর ক্ষয়ের শঙ্কা ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক সংলাপ শুক্রবার, আলোচনায় আশার বার্তার সঙ্গে যুদ্ধের শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির প্রথম বড় চুক্তি, মূল্য পাঁচশ কোটি ডলার ডাক্তারের পরামর্শে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পাঁচ নিরাপদ পথ জলবায়ু তথ্য রক্ষার নীরব যুদ্ধে নারীরা, ট্রাম্প আমলে ফেডারেল ডেটা বাঁচানোর লড়াই আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধবহরের কাছে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত, উত্তেজনার মাঝেই সম্ভাব্য আলোচনার আভাস মাদকবিরোধী যুদ্ধের নামে বিদেশে সামরিক প্রদর্শন, ঘরে নীরব মৃত্যু মিছিল নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০ এস আলমের মামলায় সরকারের কৌশল বদল, আন্তর্জাতিক সালিসিতে লড়তে ব্রিটিশ আইনফার্মে ভরসা

নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০

নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করেন।

সংঘর্ষের সময় আহতদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর চারজন ও বিএনপির একজন কর্মীকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রচারণা ঘিরে উত্তেজনা
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রের তথ্যে জানা যায়, নওগাঁ–৫ সদর আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আ স ম সায়েম নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ওই এলাকায় যান। প্রচারণা শেষ করে তিনি কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় পাশের গোপাই গ্রামের কয়েকজন বিএনপি কর্মী একটি বাড়ির সামনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষ
ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের একাধিক কর্মী আহত হন। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতা–কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে জামায়াতের কয়েকজন কর্মীকে একটি বাড়ির ভেতরে অবস্থান করতে বাধ্য করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

আহতদের বক্তব্য
আহত বিএনপি কর্মী রাকিব হাসান অভিযোগ করেন, ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াতের কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। অন্যদিকে আহত জামায়াত কর্মী হাসান প্রামাণিক বলেন, পরিকল্পিতভাবে ভিডিও ধারণ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয় এবং পরে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, গণসংযোগ শেষে প্রার্থী একটি বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে এবং এতে তাঁদের কয়েকজন কর্মী আহত হন। তবে নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম হামলা চালিয়েছে এবং বিএনপির কর্মীরা আহত হয়েছেন।

পুলিশের অবস্থান
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়ামুল হক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের আশ্বাসে রাস্তায়, শেষে বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষোভে জর্জরিত ইরান

নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১০

০৬:১৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করেন।

সংঘর্ষের সময় আহতদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর চারজন ও বিএনপির একজন কর্মীকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রচারণা ঘিরে উত্তেজনা
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রের তথ্যে জানা যায়, নওগাঁ–৫ সদর আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আ স ম সায়েম নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ওই এলাকায় যান। প্রচারণা শেষ করে তিনি কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় পাশের গোপাই গ্রামের কয়েকজন বিএনপি কর্মী একটি বাড়ির সামনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

ভিডিও ধারণ নিয়ে সংঘর্ষ
ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের একাধিক কর্মী আহত হন। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতা–কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে জামায়াতের কয়েকজন কর্মীকে একটি বাড়ির ভেতরে অবস্থান করতে বাধ্য করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

আহতদের বক্তব্য
আহত বিএনপি কর্মী রাকিব হাসান অভিযোগ করেন, ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে জামায়াতের কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। অন্যদিকে আহত জামায়াত কর্মী হাসান প্রামাণিক বলেন, পরিকল্পিতভাবে ভিডিও ধারণ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা হয় এবং পরে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, গণসংযোগ শেষে প্রার্থী একটি বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে এবং এতে তাঁদের কয়েকজন কর্মী আহত হন। তবে নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামায়াতের কর্মীরাই প্রথম হামলা চালিয়েছে এবং বিএনপির কর্মীরা আহত হয়েছেন।

পুলিশের অবস্থান
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়ামুল হক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।