০৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
এআই অবকাঠামো নিয়ে জনরোষ: প্রযুক্তির বিরুদ্ধে নয়, নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জাপানি কোম্পানির বিরল খনিজ আমদানি ব্যয় ২২% বেড়েছে, চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে চাপ এআই একচেটিয়া হতে পারে না, বিশ্বজুড়ে সহযোগিতার আহ্বান শি জিনপিংয়ের এফবিআইর ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকার গ্যাং সদস্য নিতিশ কৌশল যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি প্রায় ১৯% কমেছে, দামে ও পরিমাণে একসঙ্গে ধাক্কা বিশ্বকাপের শেষ বাঁশির পর: ফুটবল যে আয়নায় আমেরিকা ও বিশ্বের ভবিষ্যৎ দেখা গেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষত ও অনশনের আর্তনাদ: আমরা কবে শুনব ক্ষুধার ভাষা? শুধু শ্রদ্ধা নয়, শহীদ সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রের প্রকৃত দায়িত্ব এখনই পালন করতে হবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফসিলে বিশেষ সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক আইএমএফের সতর্কবার্তা: প্রবৃদ্ধি ৩.৫%, মধ্যমেয়াদে ৩ শতাংশের নিচে নামার শঙ্কা

মাদারীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক যুবকের মৃত্যু ঘিরে ক্ষোভ, পরিবারের নির্যাতনের অভিযোগ

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের দাবি, সেনা সদস্যদের নির্যাতনের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে স্বজন ও এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন।

আটকের পর মৃত্যুর খবর

দিরাইয়ে বজ্রপাতে দুই জন নিহত

নিহত রাসেল কাজী উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের উত্তর আন্ডারচর এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঢাকায় একটি রেস্তোরাঁয় চাকরি করতেন এবং তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে গ্রামেই থাকতেন। শনিবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে নিয়ে যায় বরিশালের মুলাদী সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে রাতে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবর পান।

পরিবারের নির্যাতনের অভিযোগ

নিহতের বড় ভাইয়ের ভাষ্য, অভিযানের সময় রাসেলকে গাছে বেঁধে মারধর করা হয় এবং পরে মাঠে নিয়ে গিয়েও নির্যাতন চালানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্যাম্পে গেলে প্রথমে ঘটনা অস্বীকার করা হয় এবং পরে লাশ নেওয়ার জন্য অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ গ্রহণে পরিবার অস্বীকৃতি জানালে সেটি অন্যত্র পাঠানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

রোববার বিকেলে নিহতের বাড়ির সামনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাঁরা ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং দায়ীদের শাস্তির আহ্বান জানান।

সেনা ক্যাম্প ও পুলিশের বক্তব্য

মুলাদী সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পরে আর সাড়া দেননি। অন্যদিকে কালকিনি সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাটি মুলাদী ক্যাম্পের অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং তাদের ক্যাম্পে কেবল লাশ আনা হয়েছিল পরিবারের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে। পরিবারের সিদ্ধান্তে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি আবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

পুলিশ জানায়, লাশের সুরতহাল শেষে বরিশাল মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। তবে বিস্তারিত বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন দায়িত্বরত কর্মকর্তা।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই অবকাঠামো নিয়ে জনরোষ: প্রযুক্তির বিরুদ্ধে নয়, নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ

মাদারীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক যুবকের মৃত্যু ঘিরে ক্ষোভ, পরিবারের নির্যাতনের অভিযোগ

০১:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক এক যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের দাবি, সেনা সদস্যদের নির্যাতনের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে স্বজন ও এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন।

আটকের পর মৃত্যুর খবর

দিরাইয়ে বজ্রপাতে দুই জন নিহত

নিহত রাসেল কাজী উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের উত্তর আন্ডারচর এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঢাকায় একটি রেস্তোরাঁয় চাকরি করতেন এবং তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে গ্রামেই থাকতেন। শনিবার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে নিয়ে যায় বরিশালের মুলাদী সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে রাতে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবর পান।

পরিবারের নির্যাতনের অভিযোগ

নিহতের বড় ভাইয়ের ভাষ্য, অভিযানের সময় রাসেলকে গাছে বেঁধে মারধর করা হয় এবং পরে মাঠে নিয়ে গিয়েও নির্যাতন চালানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্যাম্পে গেলে প্রথমে ঘটনা অস্বীকার করা হয় এবং পরে লাশ নেওয়ার জন্য অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ গ্রহণে পরিবার অস্বীকৃতি জানালে সেটি অন্যত্র পাঠানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

পুলিশে নারী পুরুষ সমানতালে এগিয়ে

রোববার বিকেলে নিহতের বাড়ির সামনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাঁরা ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং দায়ীদের শাস্তির আহ্বান জানান।

সেনা ক্যাম্প ও পুলিশের বক্তব্য

মুলাদী সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পরে আর সাড়া দেননি। অন্যদিকে কালকিনি সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাটি মুলাদী ক্যাম্পের অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং তাদের ক্যাম্পে কেবল লাশ আনা হয়েছিল পরিবারের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে। পরিবারের সিদ্ধান্তে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি আবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

পুলিশ জানায়, লাশের সুরতহাল শেষে বরিশাল মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। তবে বিস্তারিত বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন দায়িত্বরত কর্মকর্তা।