দুবাইয়ে আল কুদরা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে নতুন চার লেনের একটি সেতু চালু হওয়ায় যান চলাচলে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সেতুর ফলে সড়কের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং অপেক্ষার সময় কমে এসেছে অর্ধেকেরও বেশি।
যান চলাচলে গতি, অপেক্ষার সময়ে বড় হ্রাস
৬০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি আল কুদরা সড়ক এবং অ্যারাবিয়ান র্যাঞ্চেস থেকে দুবাই স্টুডিও সিটির সংযোগ পথের ওপর নির্মিত হয়েছে। সেতুটি চালু হওয়ার ফলে প্রতি ঘণ্টায় যানবাহন পারাপারের সক্ষমতা প্রায় তিন গুণ বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে সিগন্যাল এলাকায় গাড়ির অপেক্ষার সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, যা নিয়মিত যাত্রীদের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ধাপে ধাপে বিস্তারিত উন্নয়ন প্রকল্প
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আল কুদরা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে আরও একটি সেতু শিগগিরই চালু করা হবে, যা শেখ জায়েদ বিন হামদান আল নাহিয়ান সড়কের সংযোগস্থলে নির্মিত হয়েছে। উত্তর পাশের এই সেতু চালু হলে আল কুদরা সিটি ও শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সড়কের দিকে যাতায়াত আরও সহজ হবে। দক্ষিণ পাশের সেতুর কাজ শেষ হলেই পূর্ণ সক্ষমতায় চলাচল শুরু হবে।
নগর সম্প্রসারণের চাহিদা পূরণে অবকাঠামো জোরদার
দুবাইয়ের সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, শাসকের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়ণ ও জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করা যায়। প্রকল্পটি বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি সামগ্রিক সড়ক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করবে।
দীর্ঘমেয়াদি সুফল ও সময় সাশ্রয়
পুরো প্রকল্পের আওতায় একাধিক সংযোগস্থল উন্নয়ন, প্রায় আড়াই কিলোমিটার সেতু নির্মাণ এবং ১১ কিলোমিটারের বেশি সড়ক প্রশস্ত ও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এতে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রায় চার লাখ মানুষের আবাসিক ও উন্নয়ন এলাকাকে এই সড়ক নেটওয়ার্ক সরাসরি সুবিধা দেবে।
প্রধান উন্নয়ন এলাকাগুলোর সংযোগ শক্তিশালী
আল কুদরা সড়ক দুবাইয়ের পূর্ব-পশ্চিম সংযোগ করিডরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই পথের মাধ্যমে অ্যারাবিয়ান র্যাঞ্চেস, দুবাই মোটর সিটি, দুবাই স্টুডিও সিটি, ড্যামাক হিলস, মুদন এবং টেকসই নগর প্রকল্পসহ একাধিক বড় উন্নয়ন এলাকার সঙ্গে সংযোগ আরও মজবুত হবে। ফলে যানজট কমে ধারাবাহিক ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















