১০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদে প্রথম অবতরণ বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিল। নতুন করে ফিরে যাওয়ার এই প্রচেষ্টা কি সেই একই উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে পারবে? জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা, প্রাণহানির খবর নেই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা, কূটনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার টানাপোড়েন হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা চরমে, হামলার হুমকিতে পাল্টা জবাবের সতর্কতা ইরানের বেক্সিমকো ফার্মা নির্মিত শিশু হাসপাতালের নতুন বহির্বিভাগ চালু মার্চে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১৯.৭৮ শতাংশ কমেছে ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, লেবাননে নিহত শিশুদের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে

কথা বলতে চাইলে সাবেক এমপি তুহিনের মুখ চেপে ধরলো পুলিশ

কারাগারে থাকা সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চান তিনি। তবে ওই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শুনানির দিন ও আদালতের পরিস্থিতি
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। এই মামলায় তুহিনসহ ৩০ জন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শুনানির জন্য তাদের আদালতে আনা হয়।

দুপুরের দিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে আসামিদের ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ নেওয়া হয়। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম পরবর্তী শুনানির তারিখ ২ মার্চ নির্ধারণ করেন।

এরপর দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তুহিনসহ অন্য আসামিদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় তুহিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন। কিছুক্ষণ পর প্রিজনভ্যানে করে নারী হাজতিদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার পটভূমি
২০২৫ সালের ২৭ মার্চ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম বৈঠকে শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন। সেখানে তিনি দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতাচ্যুত করার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদে প্রথম অবতরণ বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিল। নতুন করে ফিরে যাওয়ার এই প্রচেষ্টা কি সেই একই উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে পারবে?

কথা বলতে চাইলে সাবেক এমপি তুহিনের মুখ চেপে ধরলো পুলিশ

০৭:২২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কারাগারে থাকা সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চান তিনি। তবে ওই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শুনানির দিন ও আদালতের পরিস্থিতি
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। এই মামলায় তুহিনসহ ৩০ জন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শুনানির জন্য তাদের আদালতে আনা হয়।

দুপুরের দিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে আসামিদের ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ নেওয়া হয়। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম পরবর্তী শুনানির তারিখ ২ মার্চ নির্ধারণ করেন।

এরপর দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তুহিনসহ অন্য আসামিদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় তুহিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন। কিছুক্ষণ পর প্রিজনভ্যানে করে নারী হাজতিদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার পটভূমি
২০২৫ সালের ২৭ মার্চ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম বৈঠকে শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন। সেখানে তিনি দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতাচ্যুত করার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।