০১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
এআই অবকাঠামো নিয়ে জনরোষ: প্রযুক্তির বিরুদ্ধে নয়, নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জাপানি কোম্পানির বিরল খনিজ আমদানি ব্যয় ২২% বেড়েছে, চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে চাপ এআই একচেটিয়া হতে পারে না, বিশ্বজুড়ে সহযোগিতার আহ্বান শি জিনপিংয়ের এফবিআইর ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকার গ্যাং সদস্য নিতিশ কৌশল যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি প্রায় ১৯% কমেছে, দামে ও পরিমাণে একসঙ্গে ধাক্কা বিশ্বকাপের শেষ বাঁশির পর: ফুটবল যে আয়নায় আমেরিকা ও বিশ্বের ভবিষ্যৎ দেখা গেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষত ও অনশনের আর্তনাদ: আমরা কবে শুনব ক্ষুধার ভাষা? শুধু শ্রদ্ধা নয়, শহীদ সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রের প্রকৃত দায়িত্ব এখনই পালন করতে হবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফসিলে বিশেষ সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক আইএমএফের সতর্কবার্তা: প্রবৃদ্ধি ৩.৫%, মধ্যমেয়াদে ৩ শতাংশের নিচে নামার শঙ্কা

কথা বলতে চাইলে সাবেক এমপি তুহিনের মুখ চেপে ধরলো পুলিশ

কারাগারে থাকা সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চান তিনি। তবে ওই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শুনানির দিন ও আদালতের পরিস্থিতি
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। এই মামলায় তুহিনসহ ৩০ জন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শুনানির জন্য তাদের আদালতে আনা হয়।

দুপুরের দিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে আসামিদের ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ নেওয়া হয়। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম পরবর্তী শুনানির তারিখ ২ মার্চ নির্ধারণ করেন।

এরপর দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তুহিনসহ অন্য আসামিদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় তুহিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন। কিছুক্ষণ পর প্রিজনভ্যানে করে নারী হাজতিদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার পটভূমি
২০২৫ সালের ২৭ মার্চ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম বৈঠকে শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন। সেখানে তিনি দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতাচ্যুত করার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই অবকাঠামো নিয়ে জনরোষ: প্রযুক্তির বিরুদ্ধে নয়, নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ

কথা বলতে চাইলে সাবেক এমপি তুহিনের মুখ চেপে ধরলো পুলিশ

০৭:২২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কারাগারে থাকা সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাকে আবার হাজতখানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চান তিনি। তবে ওই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শুনানির দিন ও আদালতের পরিস্থিতি
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। এই মামলায় তুহিনসহ ৩০ জন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শুনানির জন্য তাদের আদালতে আনা হয়।

দুপুরের দিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে আসামিদের ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ নেওয়া হয়। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম পরবর্তী শুনানির তারিখ ২ মার্চ নির্ধারণ করেন।

এরপর দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তুহিনসহ অন্য আসামিদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় তুহিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ চেপে ধরেন। কিছুক্ষণ পর প্রিজনভ্যানে করে নারী হাজতিদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার পটভূমি
২০২৫ সালের ২৭ মার্চ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ১৪ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম বৈঠকে শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন। সেখানে তিনি দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতাচ্যুত করার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।