জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত এবং এটিকে অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা ও ফলাফল নিয়েও পৃথক রিট করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি আলোচনায় সরগরম আদালতপাড়া।
কেন করা হলো রিট
বুধবার জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টে এই রিট দায়ের করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর কার্যকারিতা স্থগিত করা প্রয়োজন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

গণভোটের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফল বাতিল চেয়ে আরও একটি রিট দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ এ আবেদন করেন। ওই রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে এ রিটের শুনানি হতে পারে।
গণভোটের ফল কী ছিল
গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ পরিবর্তনের পক্ষে পড়ে। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ব্রিফিং করে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
এখন নজর আদালতের দিকে। হাইকোর্টের সিদ্ধান্তই ঠিক করবে জুলাই জাতীয় সনদের ভবিষ্যৎ এবং গণভোটের ফলাফল বহাল থাকবে কি না।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















