মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হলো বিদ্যমান জ্বালানি সম্পদকে সাশ্রয়ী ও দক্ষভাবে ব্যবহার করা। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংকটে জ্বালানির অপচয় কমিয়ে দক্ষ ব্যবস্থাপনাই এখন দেশের প্রধান কৌশল।
জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ের আহ্বান
সচিবালয়ে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় হাতে থাকা জ্বালানি সম্পদকে যতটা সম্ভব সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
তিনি বলেন, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে। জ্বালানির অপচয় কমিয়ে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সতর্কতা
প্রতিমন্ত্রী সাধারণ মানুষের প্রতিও সচেতনতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার সীমিত করা, অপ্রয়োজনীয় আলো জ্বালানো বন্ধ করা এবং সাজসজ্জার আলোকসজ্জা কমানো জরুরি। এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় ধরনের সহায়তা মিলবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থাকে বর্তমান সম্পদ দিয়েই সচল রাখতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছে।
সংঘাত যত দীর্ঘ হবে, চাপ তত বাড়বে
প্রতিমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি খাতে চাপ আরও বাড়বে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সরকার এখন থেকেই দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থা চালু রাখার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে শিগগিরই বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















