০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
নিঃশব্দ যন্ত্রণার ভেতর ফ্যাশনের ঝলক, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির নতুন ছবি ‘ক্যুচার’ কেন আলোচনায় অর্থোপেডিক সার্জনদের ৫ অভ্যাস: বয়স বাড়লেও কীভাবে থাকবেন শক্তিশালী ও সচল নতুন বিতর্কে রাবি রাকসু নেতা: জাহানারা ইমামকে কটাক্ষ, পদ স্থগিতের দাবি ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান, কম্পন অনুভূত দিল্লি-কাশ্মীর-পাকিস্তানেও নতুন রহস্যময় পোস্টে মাহফুজ আলমের সতর্কবার্তা: ‘আমি প্রথম বলির পাঁঠা হতে পারি, কিন্তু শেষ নই’ নানা অঞ্চলে রেকর্ড বৃষ্টি, ভূমিকম্পের পর জাপানে দুই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাড়ল ভূমিধসের শঙ্কা নদীতে সাত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার গুজব, তথ্য ভিত্তিহীন বলছে পুলিশ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড: ১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা গণনা, ছাড়িয়ে গেল আগের সব হিসাব ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আবারও তীব্র, ড্রোন হামলার অভিযোগে উদ্বেগে উপসাগরীয় অঞ্চল নড়াইলে ঐচ্ছিক অনুদান বিতর্ক: তালিকায় দুইবার এমপি বাচ্চুর মেয়ের নাম, ব্যাখ্যায় পিএসকে দায়ী করলেন সংসদ সদস্য

পথচারীরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছে, শুনেছে: ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে চার তরুণ-তরুণীর পদযাত্রা

ঢাকার মগবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে এক ভিন্ন আবেগঘন পদযাত্রা করেছেন চার তরুণ-তরুণী। তাদের হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি। পথে পথে অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণ শুনেছেন, কেউ কেউ নীরবে শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে মগবাজার চার রাস্তার মোড় থেকে তাদের পদযাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে এফডিসি গেট হয়ে হাতিরঝিল এলাকায় ঘুরে আবারও আশপাশের সড়কে প্রদক্ষিণ করেন তারা। পুরো পথজুড়েই সাউন্ডবক্সে বাজতে থাকে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ।

এই পদযাত্রায় অংশ নেন অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ, ইকবাল হোসেনসহ চারজন তরুণ-তরুণী।

৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির চিরঞ্জীব অনুপ্রেরণার মহাকাব্য

শৈশবের স্মৃতি থেকেই এই উদ্যোগ

অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ জানান, ছোটবেলা থেকেই ৭ মার্চ এলেই চারদিকে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনা যেত। বাসা থেকে বের হলেই রাস্তাঘাট, পাড়া-মহল্লা—সবখানেই বেজে উঠতো সেই ঐতিহাসিক আহ্বান।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ধরে আর সেই পরিচিত দৃশ্য দেখা যায় না, ভাষণও তেমন শোনা যায় না। বিষয়টি তাদের মনে এক ধরনের শূন্যতা আর কষ্ট তৈরি করেছে। সেই অনুভূতি থেকেই কয়েকজন মিলে একটি সাউন্ডবক্স নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন তারা।

পথে থেমে শুনলেন মানুষ

পদযাত্রার সময় অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণটি মন দিয়ে শুনেছেন। কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছেন, আবার কেউ নীরবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

তরুণ-তরুণীরা বলেন, এটি কোনো বড় আয়োজন ছিল না। বরং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি শ্রদ্ধা আর আবেগ থেকেই তারা এই ছোট উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস, ৭ মার্চের সেই ভাষণ আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে এবং ইতিহাসের স্মৃতিকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিঃশব্দ যন্ত্রণার ভেতর ফ্যাশনের ঝলক, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির নতুন ছবি ‘ক্যুচার’ কেন আলোচনায়

পথচারীরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছে, শুনেছে: ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে চার তরুণ-তরুণীর পদযাত্রা

০৭:১৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকার মগবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে এক ভিন্ন আবেগঘন পদযাত্রা করেছেন চার তরুণ-তরুণী। তাদের হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি। পথে পথে অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণ শুনেছেন, কেউ কেউ নীরবে শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে মগবাজার চার রাস্তার মোড় থেকে তাদের পদযাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে এফডিসি গেট হয়ে হাতিরঝিল এলাকায় ঘুরে আবারও আশপাশের সড়কে প্রদক্ষিণ করেন তারা। পুরো পথজুড়েই সাউন্ডবক্সে বাজতে থাকে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ।

এই পদযাত্রায় অংশ নেন অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ, ইকবাল হোসেনসহ চারজন তরুণ-তরুণী।

৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির চিরঞ্জীব অনুপ্রেরণার মহাকাব্য

শৈশবের স্মৃতি থেকেই এই উদ্যোগ

অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ জানান, ছোটবেলা থেকেই ৭ মার্চ এলেই চারদিকে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনা যেত। বাসা থেকে বের হলেই রাস্তাঘাট, পাড়া-মহল্লা—সবখানেই বেজে উঠতো সেই ঐতিহাসিক আহ্বান।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ধরে আর সেই পরিচিত দৃশ্য দেখা যায় না, ভাষণও তেমন শোনা যায় না। বিষয়টি তাদের মনে এক ধরনের শূন্যতা আর কষ্ট তৈরি করেছে। সেই অনুভূতি থেকেই কয়েকজন মিলে একটি সাউন্ডবক্স নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন তারা।

পথে থেমে শুনলেন মানুষ

পদযাত্রার সময় অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণটি মন দিয়ে শুনেছেন। কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছেন, আবার কেউ নীরবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

তরুণ-তরুণীরা বলেন, এটি কোনো বড় আয়োজন ছিল না। বরং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি শ্রদ্ধা আর আবেগ থেকেই তারা এই ছোট উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস, ৭ মার্চের সেই ভাষণ আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে এবং ইতিহাসের স্মৃতিকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।