০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
আইএমএফের হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৯.৪৭ বিলিয়ন ডলার ময়মনসিংহে হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে বেড়েই চলেছে আক্রান্তের চাপ সন্তানদের বিনিয়োগ শেখাতে ৫ হাজার ডলার, পপির সহপ্রতিষ্ঠাতার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ট্রাম্প-শি বৈঠক ঘিরে তাইওয়ানের শঙ্কা, ‘চমক’ এড়াতে চায় তাইপে ভোটার তালিকা বিতর্কেই কি বদলে গেল বাংলা? শশী থারুরের মন্তব্যে নতুন রাজনৈতিক ঝড় মোদির ‘ত্যাগের ডাক’ ঘিরে রাজনৈতিক ঝড়, পাল্টা আক্রমণে রাহুল গান্ধী হামে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ প্রাণহানি রাশফোর্ডের জাদুতে রিয়ালকে হারিয়ে বার্সেলোনার শিরোপা উৎসব দুয়া লিপার ছবি ব্যবহার করে বিপাকে স্যামসাং, ১৫ মিলিয়ন ডলারের মামলা গায়িকার শ্রীলঙ্কায় প্রভাবশালী বৌদ্ধ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের ঘটনায় তোলপাড়

যুদ্ধের সমাপ্তি আমরা ঠিক করব:ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার প্রেক্ষাপটে ইরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা তারাই নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে—যদি হামলা অব্যাহত থাকে, তবে অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না।

Why Iran's revolutionary guard is happy – POLITICO

আইআরজিসির কড়া সতর্কবার্তা

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সমাপ্তি কীভাবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ইরানেরই রয়েছে।

তার ভাষায়, যুদ্ধের শেষ কীভাবে হবে তা নির্ধারণ করবে ইরান। পরিস্থিতি যদি আরও খারাপের দিকে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যেতে থাকে, তাহলে পুরো অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানি বড় ধরনের সংকটে পড়বে।

তেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি

আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক লিটার তেলও বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Iran's IRGC responds to Trump: 'We will determine the end of war'

বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল সরবরাহকারী অঞ্চল। এখানকার তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

ইরানের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অঞ্চলটিতে বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই হুমকি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকেও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইএমএফের হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৯.৪৭ বিলিয়ন ডলার

যুদ্ধের সমাপ্তি আমরা ঠিক করব:ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

০৪:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার প্রেক্ষাপটে ইরান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা তারাই নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে—যদি হামলা অব্যাহত থাকে, তবে অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না।

Why Iran's revolutionary guard is happy – POLITICO

আইআরজিসির কড়া সতর্কবার্তা

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সমাপ্তি কীভাবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ইরানেরই রয়েছে।

তার ভাষায়, যুদ্ধের শেষ কীভাবে হবে তা নির্ধারণ করবে ইরান। পরিস্থিতি যদি আরও খারাপের দিকে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যেতে থাকে, তাহলে পুরো অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানি বড় ধরনের সংকটে পড়বে।

তেল রপ্তানি বন্ধের হুমকি

আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক লিটার তেলও বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Iran's IRGC responds to Trump: 'We will determine the end of war'

বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল সরবরাহকারী অঞ্চল। এখানকার তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

ইরানের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অঞ্চলটিতে বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই হুমকি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকেও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলতে পারে।