ইরানের পক্ষ থেকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরায়েলি ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দেওয়ার পর নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। এর প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটি ও এইচএসবিসি সাময়িকভাবে ওই অঞ্চলে তাদের কিছু অফিস বন্ধ করে দিয়েছে।
পারস্য উপসাগরে ব্যাংকগুলোর সতর্কতা
ইরানের হুমকির পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে কার্যরত বেশ কয়েকটি বড় আন্তর্জাতিক ব্যাংক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সিটি এবং ব্রিটিশ ব্যাংক এইচএসবিসি সাময়িকভাবে তাদের কিছু অফিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর হামলার আশঙ্কা।

তেহরানে বিমান হামলার পর উত্তেজনা
ঘটনার সূত্রপাত একটি বিমান হামলাকে ঘিরে। তেহরানে একটি ভবনে হামলা চালানো হয়, যা ইরানের রাষ্ট্রীয় ব্যাংক সেপাহর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।
ব্যাংক সেপাহ ১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ইরানের প্রথম আধুনিক দেশীয় ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। ওই ভবনে হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
আইআরজিসির হুমকি
তেহরানে হামলার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়। তারা ঘোষণা দেয় যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরায়েলি ব্যাংকগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ে এবং অনেক প্রতিষ্ঠানই কর্মীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সতর্ক পদক্ষেপ নিতে শুরু করে।

অঞ্চলজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ
এই পরিস্থিতির কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আর্থিক খাতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন ব্যাংক তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে সীমিত করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা যদি আরও বাড়ে, তবে তা আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজার ও আঞ্চলিক অর্থনীতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















