মধ্যপ্রাচ্যের উদ্বেগজনক পরিস্থিতির আলোকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান
দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা এগিয়ে নিতে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত
রাখতে একমত হয়েছে। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসহাক দার এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে
টেলিফোনিক আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১১ মার্চের এই আলোচনায় দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের বিকশমান পরিস্থিতি এবং
আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার উপর এর প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ
করেন। তারা উত্তেজনা প্রশমনে কূটনীতি ও সংলাপের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

## সম্পর্কের নতুন অধ্যায়
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান
সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য উষ্ণতা এসেছে। হাসিনা সরকার পাকিস্তানের সাথে
দূরত্ব বজায় রেখে চলত, কিন্তু নতুন বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে
উদ্যোগী হয়েছে। পাকিস্তান ইতোমধ্যে এই সম্পর্ককে একটি কৌশলগত
অংশীদারিত্বে উন্নীত করার আশা প্রকাশ করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে পাকিস্তান
বাংলাদেশের সাথে তিন বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
করেছে, যা বর্তমান বাণিজ্যের প্রায় চারগুণ।
## মধ্যপ্রাচ্যের উদ্বেগ
উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত।
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হচ্ছে, আর পাকিস্তান নিজেও আর্থিক চাপে
রয়েছে। ইসহাক দার এই আলোচনার পাশাপাশি চীন ও কুয়েতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথেও কথা বলেছেন, যা ঘটনাপ্রবাহে পাকিস্তানের
কূটনৈতিক সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















