ইরানকে লক্ষ্য করে টানা তিন সপ্তাহের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিতে বড় ধরনের ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে, যা ভবিষ্যৎ যুদ্ধ সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
ক্ষয়ক্ষতির মূল কারণ
ইরানের পাল্টা আঘাতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মাটিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে শুধু অস্ত্র নয়, নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থারও বড় ধাক্কা লেগেছে।

ব্যয়ের হিসাব কতো?
যুদ্ধের প্রথম তিন সপ্তাহেই ক্ষয়ক্ষতি এবং তা পুনরুদ্ধারের সম্ভাব্য খরচ প্রায় ১৪০ কোটি থেকে ২৯০ কোটি ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই হিসাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট সংশ্লিষ্ট সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা এলেইন ম্যাককাসকার। উচ্চতর হিসাবের মধ্যে কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটির রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কোন খাতে বেশি ক্ষতি

যে ক্ষতিগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং বিভিন্ন যুদ্ধ সরঞ্জাম। এসব পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগকে বড় অঙ্কের নতুন ব্যয় পরিকল্পনা করতে হচ্ছে।
নতুন অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনা
এই ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের একটি অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব পাঠিয়েছে হোয়াইট হাউসে। এতে বোঝা যাচ্ছে, চলমান সংঘাত শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, দীর্ঘমেয়াদে সামরিক ব্যয়ের চাপও বাড়িয়ে তুলছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















