০১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
জাভার উপকূল ভাঙনে বিপর্যয়, ৮০ বিলিয়ন ডলারের সমুদ্রপ্রাচীর পরিকল্পনায় ইন্দোনেশিয়া কে-পপ ডেমন হান্টার্স সিক্যুয়েল নিশ্চিত: পরিচালক ও নেটফ্লিক্স আবারও একসঙ্গে  নাসার মঙ্গল রোভার এআই দিয়ে প্রথমবার স্বায়ত্তশাসিত অভিযান সম্পন্ন করল ইউরোপের ২০ বিলিয়ন ইউরোর ‘ডিজিটাল বিচ্ছেদ’: মার্কিন প্রযুক্তি থেকে দূরত্ব নিচ্ছে ইইউ ডেনমার্কে হঠাৎ নির্বাচন: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পকে রুখে দিয়ে জনপ্রিয়তা পেলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাল্টিক তেল রপ্তানির ৪০ শতাংশ বন্ধ ট্রাম্প হরমুজের সময়সীমা ৬ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ালেন, পেন্টাগন স্থল অভিযান বিবেচনা করছে  ইরান যুদ্ধ নিয়ে জি৭ বৈঠক: রুবিও মিত্রদের একজোট করতে প্যারিসে হবিগঞ্জে গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মাহফিলকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি সিলেটে পুকুরে ডুবে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু

৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়ে ১৩০ কোটি ডলার, আবার চাপে অর্থনীতি

দেশের অর্থনীতিতে আবারও চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিদেশি ঋণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিন মাসে ঋণ বাড়ার হিসাব

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। ফলে তিন মাসেই প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টাকায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। এই দ্রুত বৃদ্ধি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার - NewsNow24

ওঠানামার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী ধারা

এর আগে জুন মাসে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরে সামান্য কমলেও বছরের শেষ নাগাদ আবারও ঋণ বাড়তে শুরু করেছে। এই প্রবণতা ইঙ্গিত করছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বৃদ্ধির ধারাই ফিরে এসেছে।

ঋণ বাড়ার পেছনের কারণ

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক ঘাটতি পূরণে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও বেসরকারি খাতের চাহিদা মিলিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি ঋণ উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনলেও দীর্ঘমেয়াদে এর পরিশোধের চাপ বাড়ায়। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা জরুরি হয়ে উঠেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাভার উপকূল ভাঙনে বিপর্যয়, ৮০ বিলিয়ন ডলারের সমুদ্রপ্রাচীর পরিকল্পনায় ইন্দোনেশিয়া

৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়ে ১৩০ কোটি ডলার, আবার চাপে অর্থনীতি

১২:০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দেশের অর্থনীতিতে আবারও চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিদেশি ঋণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিন মাসে ঋণ বাড়ার হিসাব

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। ফলে তিন মাসেই প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টাকায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। এই দ্রুত বৃদ্ধি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার - NewsNow24

ওঠানামার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী ধারা

এর আগে জুন মাসে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরে সামান্য কমলেও বছরের শেষ নাগাদ আবারও ঋণ বাড়তে শুরু করেছে। এই প্রবণতা ইঙ্গিত করছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বৃদ্ধির ধারাই ফিরে এসেছে।

ঋণ বাড়ার পেছনের কারণ

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক ঘাটতি পূরণে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও বেসরকারি খাতের চাহিদা মিলিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি ঋণ উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনলেও দীর্ঘমেয়াদে এর পরিশোধের চাপ বাড়ায়। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা জরুরি হয়ে উঠেছে।