১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়ে ১৩০ কোটি ডলার, আবার চাপে অর্থনীতি

দেশের অর্থনীতিতে আবারও চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিদেশি ঋণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিন মাসে ঋণ বাড়ার হিসাব

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। ফলে তিন মাসেই প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টাকায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। এই দ্রুত বৃদ্ধি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার - NewsNow24

ওঠানামার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী ধারা

এর আগে জুন মাসে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরে সামান্য কমলেও বছরের শেষ নাগাদ আবারও ঋণ বাড়তে শুরু করেছে। এই প্রবণতা ইঙ্গিত করছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বৃদ্ধির ধারাই ফিরে এসেছে।

ঋণ বাড়ার পেছনের কারণ

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক ঘাটতি পূরণে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও বেসরকারি খাতের চাহিদা মিলিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি ঋণ উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনলেও দীর্ঘমেয়াদে এর পরিশোধের চাপ বাড়ায়। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা জরুরি হয়ে উঠেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়ে ১৩০ কোটি ডলার, আবার চাপে অর্থনীতি

১২:০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দেশের অর্থনীতিতে আবারও চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে বিদেশি ঋণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বেড়ে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিন মাসে ঋণ বাড়ার হিসাব

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। ফলে তিন মাসেই প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা টাকায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। এই দ্রুত বৃদ্ধি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার - NewsNow24

ওঠানামার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী ধারা

এর আগে জুন মাসে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরে সামান্য কমলেও বছরের শেষ নাগাদ আবারও ঋণ বাড়তে শুরু করেছে। এই প্রবণতা ইঙ্গিত করছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বৃদ্ধির ধারাই ফিরে এসেছে।

ঋণ বাড়ার পেছনের কারণ

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক ঘাটতি পূরণে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও বেসরকারি খাতের চাহিদা মিলিয়ে মোট ঋণের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।

দেশে ৩ মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে ১৩০ কোটি ডলার

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি ঋণ উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনলেও দীর্ঘমেয়াদে এর পরিশোধের চাপ বাড়ায়। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা জরুরি হয়ে উঠেছে।