ইরান যুদ্ধের প্রভাবে কাতারের এলএনজি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে গ্যাস সরবরাহে বড় টান পড়েছে। সরকার এখন জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প সরবরাহ উৎস নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।
গত ১৮ মার্চ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান শিল্প নগরীর এলএনজি কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা কাতারের এলএনজি উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১৭ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। এই ক্ষতি সারিয়ে তুলতে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

বিকল্প সন্ধানে সরকার
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ সংসদে জানান, বাংলাদেশের প্রধান ইউরিয়া সরবরাহকারী কাতার ও সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী কাতারে একজন বিশেষ প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন সরবরাহ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মওকুফের অনুরোধও করা হয়েছে।
শিল্প ও কৃষিতে সংকটের আঁচ
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হলে সার উৎপাদন, শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন সবই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কৃষিতে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হলে আসন্ন মৌসুমে ফসল উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কাতার থেকে গ্যাস আসছে না, রাশিয়া থেকে কিনতে চাইলে আমেরিকার অনুমতি লাগবে। বাংলাদেশ এখন জ্বালানির জন্য ছুটছে সব দিকে।

#এলএনজিসংকট #কাতার #জ্বালানি #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















