নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় রেলস্টেশনের কাছ থেকে এক কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে শাহাগোলা রেলস্টেশনের নিকটবর্তী শিমুলিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম নেয়ামুল বশির (৪৮)। তিনি নওগাঁ শহরের চকরামচন্দ্র মহল্লার বাসিন্দা এবং বড়শিমলা মহিলা কলেজের শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি হজ-সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল থেকে বশিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
আঘাতের চিহ্নে রহস্য ঘনীভূত

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিশেষ করে মাথায় গুরুতর জখমের আলামত দেখা গেছে। এসব কারণে মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
হত্যার অভিযোগ পরিবারের
সান্তাহার সরকারি রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে নিহতের ভাই মিজানুর রহমান দাবি করেছেন, পূর্বশত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তরা নেয়ামুল বশিরকে হত্যা করেছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ
ঘটনার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ, আঘাতের চিহ্ন এবং নিহতের ব্যক্তিগত ও পেশাগত কর্মকাণ্ড—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















