কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) নতুন স্তরভিত্তিক বণ্টন ব্যবস্থায় প্রায় ১৭ শতাংশ রোহিঙ্গার মাসিক খাদ্য সহায়তা ১২ ডলার থেকে কমিয়ে ৭ ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ক্যাম্পে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোতে আটকা ১২ লাখ রোহিঙ্গার অধিকাংশই ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্মম হামলা থেকে পালিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশে কাজ করার আইনি অধিকার না থাকায় তারা প্রায় সম্পূর্ণরূপে মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল।

“আমাদের শিশুরা সবচেয়ে বেশি ভুগবে“
তিন সন্তানের বাবা ক্যাম্পবাসী মোহাম্মদ রহিম বলেন, “৭ ডলারে কীভাবে বেঁচে থাকব বুঝতে পারছি না। আমাদের শিশুরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবে। অনেকে না খেয়েও মরতে পারে।” তিনি জানান, ইতিমধ্যে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।

WFP বলছে ভিন্ন কথা, বাংলাদেশ বলছে এটা কাটছাঁট
WFP মুখপাত্র বলছেন এটি “রেশন কাটছাঁট” নয়, বরং ন্যায্য বণ্টনের জন্য স্তরভিত্তিক ব্যবস্থা। তবে বাংলাদেশের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেছেন, এটি রোহিঙ্গাদের জন্য কার্যত রেশন কমানোই।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খাবার কমিয়ে দেওয়া হলো, প্রতিবাদে ফেটে পড়লেন শরণার্থীরা। “খাদ্য অধিকার, পছন্দ নয়” প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় নামলেন শত শত রোহিঙ্গা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















