০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
উত্তরপ্রদেশে মেলায় ৬০ ফুট দোলনা ভেঙে পড়ে ৩০ জনের বেশি আহত, শিশুসহ মোটরসাইকেলের বিক্রয় কমেছে, জ্বালানি সংকটের প্রভাব স্পষ্ট ইরানের দাবী: তিন দিনে তিনটি আমেরিকার সামরিক বিমান ধ্বংস করেছে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল খাতে হামলা বাড়ানোর হুমকি ইসরায়েলের ইরানের ভেতরে দুঃসাহসিক অভিযানে মার্কিন পাইলট উদ্ধার, যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত ভারতের ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ পরিকল্পনার অভিযোগ, কড়া সতর্কবার্তা পাকিস্তানের ইরান শিগগিরই হরমুজ প্রণালি খুলছে না- মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য চীন জেট ফুয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে, বিশ্বব্যাপী বিমান সংস্থাগুলো ফ্লাইট কমাচ্ছে বিদেশ থেকে প্রতারিত হয়ে ফিরে আসা নারীদের নিজ দেশে সাফ্যলের গল্প এপস্টাইন ফাইলে শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মার্কিন বিচার বিভাগ কোনো নতুন গ্রেফতার করেনি

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অফিস সময় কমল, শপিংমল বন্ধ হবে আগেভাগে

সরকারের জরুরি সিদ্ধান্ত

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে ওঠায় বাংলাদেশ সরকার জরুরি ভিত্তিতে একগুচ্ছ সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারি অফিসের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে এবং শপিংমল ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো

বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। শপিংমল, বাজার ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অফিসের কার্যঘণ্টাও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে এই সিদ্ধান্তগুলো নেন এবং বৈঠক চলে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত।

ভোজ্যতেলের মজুদ পর্যাপ্ত, আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা না করার আহ্বান  বাণিজ্যমন্ত্রীর

যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে বাংলাদেশে

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ শুরু করার পর থেকেই বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হতে থাকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি খরচে।

ভর্তুকির বোঝা বাড়ছে

সরকারি হিসাব বলছে, বর্তমানে ডিজেলের আমদানি মূল্য প্রতি লিটারে ১৯৮ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অক্টেনের আমদানি মূল্য ১৫০ টাকার বেশি হলেও দাম রাখা হয়েছে ১২০ টাকা। শুধু মার্চ মাসেই ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। জুন পর্যন্ত এই ভর্তুকির পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

ডিজেল-অকটেনসহ সব তেলের দাম লিটারে কমল ১ টাকা | The Daily Star

সাধারণ মানুষের কষ্ট

ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা, সবাই এই সংকটের ভার বহন করছেন। দোকান আগে বন্ধ হলে ব্যবসায়ীদের আয় কমবে। অফিস সময় কমলে কর্মীদের কাজে প্রভাব পড়বে। আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে লোডশেডিং বাড়লে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরপ্রদেশে মেলায় ৬০ ফুট দোলনা ভেঙে পড়ে ৩০ জনের বেশি আহত, শিশুসহ

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অফিস সময় কমল, শপিংমল বন্ধ হবে আগেভাগে

০২:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারের জরুরি সিদ্ধান্ত

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে ওঠায় বাংলাদেশ সরকার জরুরি ভিত্তিতে একগুচ্ছ সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারি অফিসের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে এবং শপিংমল ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো

বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। শপিংমল, বাজার ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অফিসের কার্যঘণ্টাও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে এই সিদ্ধান্তগুলো নেন এবং বৈঠক চলে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত।

ভোজ্যতেলের মজুদ পর্যাপ্ত, আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা না করার আহ্বান  বাণিজ্যমন্ত্রীর

যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে বাংলাদেশে

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ শুরু করার পর থেকেই বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হতে থাকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি খরচে।

ভর্তুকির বোঝা বাড়ছে

সরকারি হিসাব বলছে, বর্তমানে ডিজেলের আমদানি মূল্য প্রতি লিটারে ১৯৮ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অক্টেনের আমদানি মূল্য ১৫০ টাকার বেশি হলেও দাম রাখা হয়েছে ১২০ টাকা। শুধু মার্চ মাসেই ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। জুন পর্যন্ত এই ভর্তুকির পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

ডিজেল-অকটেনসহ সব তেলের দাম লিটারে কমল ১ টাকা | The Daily Star

সাধারণ মানুষের কষ্ট

ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা, সবাই এই সংকটের ভার বহন করছেন। দোকান আগে বন্ধ হলে ব্যবসায়ীদের আয় কমবে। অফিস সময় কমলে কর্মীদের কাজে প্রভাব পড়বে। আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে লোডশেডিং বাড়লে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।