০১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অফিস সময় কমল, শপিংমল বন্ধ হবে আগেভাগে

সরকারের জরুরি সিদ্ধান্ত

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে ওঠায় বাংলাদেশ সরকার জরুরি ভিত্তিতে একগুচ্ছ সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারি অফিসের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে এবং শপিংমল ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো

বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। শপিংমল, বাজার ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অফিসের কার্যঘণ্টাও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে এই সিদ্ধান্তগুলো নেন এবং বৈঠক চলে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত।

ভোজ্যতেলের মজুদ পর্যাপ্ত, আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা না করার আহ্বান  বাণিজ্যমন্ত্রীর

যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে বাংলাদেশে

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ শুরু করার পর থেকেই বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হতে থাকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি খরচে।

ভর্তুকির বোঝা বাড়ছে

সরকারি হিসাব বলছে, বর্তমানে ডিজেলের আমদানি মূল্য প্রতি লিটারে ১৯৮ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অক্টেনের আমদানি মূল্য ১৫০ টাকার বেশি হলেও দাম রাখা হয়েছে ১২০ টাকা। শুধু মার্চ মাসেই ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। জুন পর্যন্ত এই ভর্তুকির পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

ডিজেল-অকটেনসহ সব তেলের দাম লিটারে কমল ১ টাকা | The Daily Star

সাধারণ মানুষের কষ্ট

ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা, সবাই এই সংকটের ভার বহন করছেন। দোকান আগে বন্ধ হলে ব্যবসায়ীদের আয় কমবে। অফিস সময় কমলে কর্মীদের কাজে প্রভাব পড়বে। আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে লোডশেডিং বাড়লে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশ, অফিস সময় কমল, শপিংমল বন্ধ হবে আগেভাগে

০২:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারের জরুরি সিদ্ধান্ত

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে ওঠায় বাংলাদেশ সরকার জরুরি ভিত্তিতে একগুচ্ছ সাশ্রয়মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সরকারি অফিসের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে এবং শপিংমল ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো

বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। শপিংমল, বাজার ও দোকানপাট নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অফিসের কার্যঘণ্টাও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে এই সিদ্ধান্তগুলো নেন এবং বৈঠক চলে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত।

ভোজ্যতেলের মজুদ পর্যাপ্ত, আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা না করার আহ্বান  বাণিজ্যমন্ত্রীর

যুদ্ধের আঁচ এসে পড়েছে বাংলাদেশে

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ শুরু করার পর থেকেই বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হতে থাকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি খরচে।

ভর্তুকির বোঝা বাড়ছে

সরকারি হিসাব বলছে, বর্তমানে ডিজেলের আমদানি মূল্য প্রতি লিটারে ১৯৮ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। অক্টেনের আমদানি মূল্য ১৫০ টাকার বেশি হলেও দাম রাখা হয়েছে ১২০ টাকা। শুধু মার্চ মাসেই ডিজেলে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। জুন পর্যন্ত এই ভর্তুকির পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

ডিজেল-অকটেনসহ সব তেলের দাম লিটারে কমল ১ টাকা | The Daily Star

সাধারণ মানুষের কষ্ট

ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা, সবাই এই সংকটের ভার বহন করছেন। দোকান আগে বন্ধ হলে ব্যবসায়ীদের আয় কমবে। অফিস সময় কমলে কর্মীদের কাজে প্রভাব পড়বে। আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে লোডশেডিং বাড়লে গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।