বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে বিচার
যুব নেতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এবার ১১তম বারের মতো পিছিয়ে গেছে। গত ডিসেম্বরে হাদির মৃত্যুর পর থেকে এই মামলা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। কিন্তু বারবার প্রতিবেদন পিছিয়ে যাওয়া এবং মূল আসামিসহ ছয়জন এখনো পলাতক থাকায় ন্যায়বিচারের প্রশ্ন নিয়ে জনমনে ক্ষোভ জমছে।
কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল হাদিকে
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন মোটরসাইকেলে চড়ে ব্যাটারিচালিত রিকশায় যাওয়া হাদির ওপর গুলি চালায় এবং দ্রুত পালিয়ে যায়। ১৪ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলা দায়ের হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
আসামিদের অবস্থা
মামলায় মোট ১৭ জন আসামি। এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে রয়েছে। কিন্তু মূল আসামি অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন এবং অভিযুক্ত মাস্টারমাইন্ড সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পিসহ ছয়জন এখনো পলাতক।
পরিবার ও সমর্থকদের দাবি
হাদির পরিবার ও তার সমর্থকরা দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন। তারা বলছেন, প্রতিটি বিলম্ব আসলে বিচারকে প্রহসনে পরিণত করছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন তারা।

ডিসেম্বরের সহিংসতার স্মৃতি
হাদির মৃত্যু গত ডিসেম্বরে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার সূত্রপাত করেছিল। সংবাদমাধ্যম, সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছিল সেসময়। সেই উত্তাল সময়ের কথা এখনো মানুষের মনে তাজা। বিচার না হলে সেই ক্ষত শুকাবে না বলে মনে করছেন অনেকে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















