১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
দেমিস হাসাবিস: গুগল ডিপমাইন্ডের ভিশনারি বিজ্ঞানীর আড়ালে জ্ঞান ও প্রযুক্তি চাঁদপথ থেকে পৃথিবীর বিস্ময়কর দৃশ্য: আর্টেমিস-II ক্রদের অভিজ্ঞতা পৃথিবীর প্রথম ভাসমান মদশিল্পী মিশেল রোলাঁর মৃত্যু: বিশ্ব মদশিল্পে অম্লান প্রভাব ইরানের যুদ্ধ: পণ্যের মূল্য বাড়তে পারে ও মুদ্রাস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে—জেপি মরগান সিইও কেরালায় কংগ্রেস এগিয়ে, বড় জয় নাও হতে পারে: শশী থারুর অসম মুখ্যমন্ত্রী: খেরার অভিযোগের পেছনে পাকিস্তানের সম্পর্ক রাহুল গান্ধী জ্বালানির দামে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন, বললেন অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি, নির্বাচন কমিশনে কংগ্রেসের আবেদন ঢাকায় প্রাক্তন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, পুনর্বহালের দাবিতে ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ লাইন, উত্তেজনা বেড়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গে

সিসিটিভি’র হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ, কী হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

  • Sarakhon Report
  • ১১:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 12

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন বা সিসিটিভির ফুটেজ থাকা একটি হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একজন প্রসিকিউটর অভিযোগটি সত্যি বলে জানালেও আরেকজন প্রসিকিউটর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ওঠার পর তা নিয়ে এখনো তদন্ত করছে চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ট্রাইব্যুনালেই চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু হয়। প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেমিস হাসাবিস: গুগল ডিপমাইন্ডের ভিশনারি বিজ্ঞানীর আড়ালে জ্ঞান ও প্রযুক্তি

সিসিটিভি’র হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ, কী হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

১১:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন বা সিসিটিভির ফুটেজ থাকা একটি হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একজন প্রসিকিউটর অভিযোগটি সত্যি বলে জানালেও আরেকজন প্রসিকিউটর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ওঠার পর তা নিয়ে এখনো তদন্ত করছে চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ট্রাইব্যুনালেই চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু হয়। প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।