১০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে কর্মসংস্থানে রূপ দিতে সঠিক নীতিমালা জরুরি উপসাগরীয় তেল সংকট সরকারগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতি উন্মোচন করছে লাল রঙের শক্তি: শিল্পের ইতিহাসে এক রঙের বিস্ময় বিদেশে নতুন জীবন, ক্যামেরায় গল্প: ফিলিপিনো নারীদের ভাইরাল যাত্রা ও ভাঙছে পুরনো ধারণা সাংহাইয়ে বয়স্কদের কাজে ফেরানোর উদ্যোগ, জনসংখ্যা সংকটে নতুন পথ খুঁজছে চীন আশা ভোঁসলেকে নিয়ে রুনা লায়লার স্মৃতিচারণ: আমার প্রিয় আশা দিদি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় ফিরছে লাখো অভিবাসী শ্রমিক ভেনেজুয়েলা: মাদুরো-পরবর্তী পরিবর্তনের আশাবাদ, বাস্তবতায় রয়ে গেছে বড় অনিশ্চয়তা জ্বালানি সংকটে অ-ভর্তুকিযুক্ত তেলের দাম হঠাৎ লাফিয়ে বৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ চাপে বাড়ছে উদ্বেগ কাতার: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মাঝে আটকে পড়া এক অর্থনৈতিক ধাক্কার গল্প

সিসিটিভি’র হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ, কী হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

  • Sarakhon Report
  • ১১:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 36

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন বা সিসিটিভির ফুটেজ থাকা একটি হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একজন প্রসিকিউটর অভিযোগটি সত্যি বলে জানালেও আরেকজন প্রসিকিউটর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ওঠার পর তা নিয়ে এখনো তদন্ত করছে চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ট্রাইব্যুনালেই চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু হয়। প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে কর্মসংস্থানে রূপ দিতে সঠিক নীতিমালা জরুরি

সিসিটিভি’র হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ, কী হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

১১:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন বা সিসিটিভির ফুটেজ থাকা একটি হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একজন প্রসিকিউটর অভিযোগটি সত্যি বলে জানালেও আরেকজন প্রসিকিউটর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ওঠার পর তা নিয়ে এখনো তদন্ত করছে চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ট্রাইব্যুনালেই চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু হয়। প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।