০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
চরমপন্থার ক্ষত থেকে সম্প্রীতির শিক্ষা: ট্রাম্পের আমলে ওকলাহোমার ভিন্ন রাজনৈতিক পথ রিকনসিলিয়েশানের আগে সহযোগিতা:  প্রতিরোধের সামনে বাস্তবসম্মত পথ সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ, ‘ভিভিআইপি সফরে এটাই স্বাভাবিক’ বলল ভারত পারান্দুরে দ্বিতীয় চেন্নাই বিমানবন্দর বাতিল, বিজয়ের সিদ্ধান্তে স্ট্যালিনের তীব্র ক্ষোভ দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি-ঝড়, ১৫টি ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলো ব্রাজিলে কংগ্রেসের ক্ষমতার দাপট: প্রেসিডেন্টের চেয়েও শক্তিশালী আইনসভা উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল যুক্তরাষ্ট্রের পানি অবকাঠামোই এখন সাইবার হামলার সহজ লক্ষ্য যত্রতত্র বালু তোলায় ভয়াবহ নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতভিটা-ফসলি জমি

সিসিটিভি’র হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ, কী হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

  • Sarakhon Report
  • ১১:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • 88

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন বা সিসিটিভির ফুটেজ থাকা একটি হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একজন প্রসিকিউটর অভিযোগটি সত্যি বলে জানালেও আরেকজন প্রসিকিউটর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ওঠার পর তা নিয়ে এখনো তদন্ত করছে চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ট্রাইব্যুনালেই চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু হয়। প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

চরমপন্থার ক্ষত থেকে সম্প্রীতির শিক্ষা: ট্রাম্পের আমলে ওকলাহোমার ভিন্ন রাজনৈতিক পথ

সিসিটিভি’র হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ, কী হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে

১১:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন বা সিসিটিভির ফুটেজ থাকা একটি হার্ডড্রাইভ পরিবর্তনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একজন প্রসিকিউটর অভিযোগটি সত্যি বলে জানালেও আরেকজন প্রসিকিউটর বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে ওঠার পর তা নিয়ে এখনো তদন্ত করছে চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার জন্য এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

দুই হাজার চব্বিশ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই ট্রাইব্যুনালেই চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার শুরু হয়। প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চললেও পরে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।