০৭:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

তিন বছরে আরও ১৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দারিদ্র্য থেকে বেরোতে না-ও পারে আরও ১২ লাখ – বিশ্বব্যাংক

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাংলাদেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে। বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে দেশে জাতীয় দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে উঠেছে। এতে তিন বছরে আরও ১৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। একই সময়ে যে ১৭ লাখ মানুষের দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা ছিল, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৫ লাখে।

দারিদ্র্যের চিত্র কেন বদলাল

২০২৫ সালে জাতীয় দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। এই পরিবর্তন শুধু পরিসংখ্যানের নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ওপর বাড়তি চাপেরও ইঙ্গিত। ২০২২ সালের পর উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কমে যাওয়া ক্রয়ক্ষমতা এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে।

Cost-of-living crisis driving 'breathtaking' surge in extreme poverty -UNDP | Reuters

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাব কতটা

বিশ্বব্যাংক বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত না হলে চলতি বছরে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্ভাবনা নেমে এসেছে মাত্র ৫ লাখে। অর্থাৎ প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা হারাচ্ছে। এ থেকেই বোঝা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাসের গতিকে বড়ভাবে ধাক্কা দিয়েছে।

মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপ

একই সঙ্গে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে রয়েছে। খাদ্য ও অখাদ্য দুই ধরনের পণ্যের দামই উঁচু অবস্থানে আছে। কিন্তু নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষের মজুরি সেই হারে বাড়েনি। ফলে তাদের প্রকৃত আয় কমেছে, কমেছে ক্রয়ক্ষমতাও।

সামনে কী সংকেত

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাংলাদেশের নিম্নআয়ের মানুষের ওপর চাপ এখন দ্বিমুখী। একদিকে ২০২২ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য সংকট দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার পথও সংকুচিত করেছে। ফলে দারিদ্র্য কমানোর অগ্রগতি এখন নতুন অনিশ্চয়তার মুখে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

তিন বছরে আরও ১৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দারিদ্র্য থেকে বেরোতে না-ও পারে আরও ১২ লাখ – বিশ্বব্যাংক

০৮:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বাংলাদেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে। বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে দেশে জাতীয় দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে উঠেছে। এতে তিন বছরে আরও ১৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। একই সময়ে যে ১৭ লাখ মানুষের দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা ছিল, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৫ লাখে।

দারিদ্র্যের চিত্র কেন বদলাল

২০২৫ সালে জাতীয় দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। এই পরিবর্তন শুধু পরিসংখ্যানের নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ওপর বাড়তি চাপেরও ইঙ্গিত। ২০২২ সালের পর উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কমে যাওয়া ক্রয়ক্ষমতা এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে।

Cost-of-living crisis driving 'breathtaking' surge in extreme poverty -UNDP | Reuters

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাব কতটা

বিশ্বব্যাংক বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত না হলে চলতি বছরে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্ভাবনা নেমে এসেছে মাত্র ৫ লাখে। অর্থাৎ প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা হারাচ্ছে। এ থেকেই বোঝা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাসের গতিকে বড়ভাবে ধাক্কা দিয়েছে।

মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপ

একই সঙ্গে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে রয়েছে। খাদ্য ও অখাদ্য দুই ধরনের পণ্যের দামই উঁচু অবস্থানে আছে। কিন্তু নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষের মজুরি সেই হারে বাড়েনি। ফলে তাদের প্রকৃত আয় কমেছে, কমেছে ক্রয়ক্ষমতাও।

সামনে কী সংকেত

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, বাংলাদেশের নিম্নআয়ের মানুষের ওপর চাপ এখন দ্বিমুখী। একদিকে ২০২২ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য সংকট দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার পথও সংকুচিত করেছে। ফলে দারিদ্র্য কমানোর অগ্রগতি এখন নতুন অনিশ্চয়তার মুখে।