বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে সফরটি হবে, তবে এখনো নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়নি।
সফরের আমন্ত্রণ ও কূটনৈতিক বার্তা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী ও কন্যাকে সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক এক চিঠিতে ভারত সফরের জন্য আন্তরিক স্বাগত জানানো হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের উষ্ণতার ইঙ্গিত দেয়।

সময় নির্ধারণ হয়নি, প্রস্তুতি চলবে
ড. খলিলুর রহমান বলেন, সফরটি নিশ্চিত হলেও তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। তবে সফরের আগে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই সফরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়বে।
সম্পর্ক উন্নয়নে দুই দেশের আগ্রহ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের শীর্ষ নেতারা শুধু চিঠি বিনিময়ই করেননি, তারা সরাসরি কথাও বলেছেন। উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী এবং এই সম্পর্ক দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাম্প্রতিক বৈঠক ও অগ্রগতি
ভারত সফর শেষে তিনি জানান, সেখানে তার বিভিন্ন বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ নিয়ে আরও অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. খলিলুর রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ভারত নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার কথা পুনর্ব্যক্ত করে।

ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পরিকল্পনা
দুই দেশ যৌথভাবে বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে। শিগগিরই আরও সরকারি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভারত সফরের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং জ্বালানি খাতের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন, যা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিক উন্মোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ভারত সফর সামনে রেখে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নতুন গতি পাবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















