০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
দুইবার পিছিয়ে পড়েও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করল ইরান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই, তবে স্থায়ী সমঝোতা এখনো অনিশ্চিত ঝুঁকি নিতে চায়না তেল কোম্পানি ও জাহাজ মালিকরা -ইরান-মার্কিন চুক্তি বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় যুদ্ধবিরতির পথে ওয়াশিংটন-তেহরান, কৌশলগত সংকটে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সমঝোতা কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেক, স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে বিশ্বকাপে চমক বিএসএফ সম্মেলন ঘিরে ‘বিভ্রান্তিকর’ প্রচারণা নাকচ করল বিজিবি যুদ্ধের ছায়ায় বিশ্বকাপ: খেলাধুলা কি সত্যিই রাজনীতির বাইরে? জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ হত্যা: মামলা করতে রাজি নয় পরিবার, পুলিশের অনুরোধেও অনড় অবস্থান

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত ‘পীর’ আব্দুর রহমানকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় তার পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা এ ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে চান না।

পরিবারের সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থান

নিহত আব্দুর রহমান, যিনি শামীম রেজা ও জাহাঙ্গীর নামেও পরিচিত ছিলেন, তার বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, পরিবারের সবাই মিলে আলোচনা করে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বয়সের ভারে তিনি এমন জটিল বিষয়ে জড়াতে চান না। দাফনের পর রাতে পরিবারের সবাই বসে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এবং তখন উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারাও মামলা করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু পরিবারের সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

পুলিশের অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তা

ঘটনার পর দৌলতপুর থানার পুলিশ জানায়, তারা ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের অপেক্ষায় ছিল। তবে সোমবার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিবার মামলা করবে না—এমন সিদ্ধান্তের বিষয়টি তাদের কাছে এখনও নিশ্চিত নয়। তারা ধারণা করছেন, পরিবার হয়তো পরে মামলা করতে পারে।

Kushtia ‘Pir’ murder: Family unwilling to file case

কীভাবে ঘটল হত্যাকাণ্ড

শনিবার বিকেলে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ‘শামীম বাবা দরবার শরীফ’ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। স্থানীয়দের মতে, ২০২৩ সালের একটি পুরনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আব্দুর রহমানকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় তার তিন অনুসারী—জুবায়ের, মোহন আলী ও জামিরুন নেছা আহত হন। পরে তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তদন্ত ও পরবর্তী পরিস্থিতি

পরিবার মামলা না করায় তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে।

এদিকে এলাকাজুড়ে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে, যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর হত্যার ঘটনায় পরিবার মামলা করতে রাজি নয়, পুলিশ চাপে থাকলেও সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে।

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর হত্যাকাণ্ডে পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় তদন্তে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুইবার পিছিয়ে পড়েও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করল ইরান

কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ হত্যা: মামলা করতে রাজি নয় পরিবার, পুলিশের অনুরোধেও অনড় অবস্থান

০৬:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কথিত ‘পীর’ আব্দুর রহমানকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় তার পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা এ ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে চান না।

পরিবারের সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থান

নিহত আব্দুর রহমান, যিনি শামীম রেজা ও জাহাঙ্গীর নামেও পরিচিত ছিলেন, তার বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, পরিবারের সবাই মিলে আলোচনা করে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বয়সের ভারে তিনি এমন জটিল বিষয়ে জড়াতে চান না। দাফনের পর রাতে পরিবারের সবাই বসে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এবং তখন উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারাও মামলা করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু পরিবারের সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

পুলিশের অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তা

ঘটনার পর দৌলতপুর থানার পুলিশ জানায়, তারা ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের অপেক্ষায় ছিল। তবে সোমবার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিবার মামলা করবে না—এমন সিদ্ধান্তের বিষয়টি তাদের কাছে এখনও নিশ্চিত নয়। তারা ধারণা করছেন, পরিবার হয়তো পরে মামলা করতে পারে।

Kushtia ‘Pir’ murder: Family unwilling to file case

কীভাবে ঘটল হত্যাকাণ্ড

শনিবার বিকেলে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ‘শামীম বাবা দরবার শরীফ’ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। স্থানীয়দের মতে, ২০২৩ সালের একটি পুরনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আব্দুর রহমানকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় তার তিন অনুসারী—জুবায়ের, মোহন আলী ও জামিরুন নেছা আহত হন। পরে তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তদন্ত ও পরবর্তী পরিস্থিতি

পরিবার মামলা না করায় তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে।

এদিকে এলাকাজুড়ে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে, যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর হত্যার ঘটনায় পরিবার মামলা করতে রাজি নয়, পুলিশ চাপে থাকলেও সিদ্ধান্তে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে।

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর হত্যাকাণ্ডে পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় তদন্তে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।