০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

ইডির গ্রেপ্তার ঘিরে তৃণমূলের তীব্র আক্রমণ, ‘চরম মরিয়া পদক্ষেপ’ বলে দাবি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এক উচ্চপ্রোফাইল গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেস ই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক বিনেশ চান্ডেলের গ্রেপ্তারকে ‘চরম মরিয়া পদক্ষেপ’ বলে আখ্যা দিয়ে তাঁর অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি তুলেছে।

গভীর রাতে গ্রেপ্তার, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

জানা গেছে, একটি অর্থপাচার মামলায় দিল্লি থেকে চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের একটি কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে এই মামলার যোগ রয়েছে। তবে তৃণমূলের দাবি, এই পদক্ষেপের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই মূল কারণ।

TMC slams Chandel arrest as intimidation before Bengal polls

‘কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার’ অভিযোগ

তৃণমূল নেতৃত্ব সরাসরি অভিযোগ তুলেছে যে, বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপ গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক এবং বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।

‘মরিয়া হয়ে উঠেছে’—তৃণমূলের কটাক্ষ

দলের একাধিক নেতা কটাক্ষ করে বলেন, সংস্থাটির এই পদক্ষেপই প্রমাণ করে তারা কতটা ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কিন্তু তাতে জনসমর্থন বদলাবে না।

৬ মে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, অশান্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে  সাক্ষাৎ করবেন মমতা - Drishtibhongi দৃষ্টিভঙ্গি

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

এদিকে এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে তাঁর দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কিন্তু এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তাঁর কথায়, একজনকে গ্রেপ্তার করলে হাজার হাজার মানুষ সামনে এসে দাঁড়াবে।

উত্তেজনা বাড়ছে ভোটের আগে

এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলের মধ্যে সংঘাত বাড়ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

এই পরিস্থিতিতে চান্ডেলের গ্রেপ্তারকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

ইডির গ্রেপ্তার ঘিরে তৃণমূলের তীব্র আক্রমণ, ‘চরম মরিয়া পদক্ষেপ’ বলে দাবি

১১:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এক উচ্চপ্রোফাইল গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেস ই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক বিনেশ চান্ডেলের গ্রেপ্তারকে ‘চরম মরিয়া পদক্ষেপ’ বলে আখ্যা দিয়ে তাঁর অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি তুলেছে।

গভীর রাতে গ্রেপ্তার, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

জানা গেছে, একটি অর্থপাচার মামলায় দিল্লি থেকে চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের একটি কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে এই মামলার যোগ রয়েছে। তবে তৃণমূলের দাবি, এই পদক্ষেপের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই মূল কারণ।

TMC slams Chandel arrest as intimidation before Bengal polls

‘কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার’ অভিযোগ

তৃণমূল নেতৃত্ব সরাসরি অভিযোগ তুলেছে যে, বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপ গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক এবং বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।

‘মরিয়া হয়ে উঠেছে’—তৃণমূলের কটাক্ষ

দলের একাধিক নেতা কটাক্ষ করে বলেন, সংস্থাটির এই পদক্ষেপই প্রমাণ করে তারা কতটা ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছে। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কিন্তু তাতে জনসমর্থন বদলাবে না।

৬ মে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, অশান্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে  সাক্ষাৎ করবেন মমতা - Drishtibhongi দৃষ্টিভঙ্গি

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

এদিকে এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান। তিনি অভিযোগ করেন, গভীর রাতে তাঁর দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কিন্তু এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তাঁর কথায়, একজনকে গ্রেপ্তার করলে হাজার হাজার মানুষ সামনে এসে দাঁড়াবে।

উত্তেজনা বাড়ছে ভোটের আগে

এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলের মধ্যে সংঘাত বাড়ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

এই পরিস্থিতিতে চান্ডেলের গ্রেপ্তারকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।