০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
কলেজ শিক্ষার্থীর বানানো গো-কার্টে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী ধান কাটাকে কেন্দ্র করে খুলনায় সংঘর্ষ, বিএনপির দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল কৃষকের উত্তর আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিশ্বকাপের আগে ঐক্যের স্বপ্নে ফাটল বিএনপি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করছে: জামায়াত আমিরের কড়া অভিযোগ চট্টগ্রামের রাউজানে ফের গুলি, বিএনপি কর্মী নিহত—দুই মাসে তৃতীয় হত্যাকাণ্ডে আতঙ্ক যুদ্ধ বদলাচ্ছে, বদলাচ্ছে অস্ত্রশিল্প: নতুন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, পিছিয়ে ইউরোপ আইন প্রণয়নে ঢুকে পড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বাড়ছে সুবিধা আবার শঙ্কাও ১৫ ঘণ্টা চালুর পরই আবার বন্ধ বড়পুকুরিয়া, যান্ত্রিক ত্রুটিতে পুরো উৎপাদন থমকে নিউইয়র্কে ধনীদের ওপর নতুন কর, তীব্র বিতর্কের মাঝে ‘সাশ্রয়ী শহর’ গড়ার চেষ্টা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় পরিবর্তনের আভাস, প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা তুঙ্গে

দুই দিনের মধ্যেই ফের শুরু হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২১ এপ্রিল। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, নতুন আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।

আলোচনা ঘিরে আশাবাদ
ট্রাম্প বলেছেন, সামনে “অসাধারণ দুই দিন” আসতে পারে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে। তিনি মনে করেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চুক্তিই সবচেয়ে ভালো পথ, কারণ এতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংঘাত এখন “শেষের কাছাকাছি”।

তবে তার বক্তব্যে কিছুটা দ্বৈততা দেখা গেছে। একদিকে তিনি দ্রুত সমাধানের আশা দেখালেও, অন্যদিকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।

দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প

নৌ অবরোধে বাড়ছে চাপ
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর সামুদ্রিক অবরোধ জোরদার করেছে, যার ফলে দেশটির সঙ্গে সমুদ্রপথে বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়া হয়েছে এবং কিছু জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

এই অবরোধের ফলে বৈশ্বিক বাজারেও প্রভাব পড়েছে। তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ভিন্ন পরিকল্পনা চীন-রাশিয়ার

আলোচনার মূল বাধা
শান্তি আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র চায় দীর্ঘমেয়াদি স্থগিতাদেশ, অন্যদিকে ইরান স্বল্পমেয়াদি বিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও মতপার্থক্য রয়েছে।

তবে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েক দিনের গোপন যোগাযোগে দুই পক্ষের অবস্থান কিছুটা কাছাকাছি এসেছে, যা নতুন আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে।

 

অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা অব্যাহত
শান্তি প্রচেষ্টার মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। এই পরিস্থিতি সামগ্রিক শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে।

চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ ইরান ও লেবাননের।

সব মিলিয়ে, সামনে সম্ভাবনা যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনি অনিশ্চয়তাও রয়ে গেছে। এখন সবার নজর আগামী কয়েক দিনের দিকে, যেখানে শান্তি নাকি নতুন সংঘাত—তা স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

কলেজ শিক্ষার্থীর বানানো গো-কার্টে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

দুই দিনের মধ্যেই ফের শুরু হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

০২:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২১ এপ্রিল। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, নতুন আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।

আলোচনা ঘিরে আশাবাদ
ট্রাম্প বলেছেন, সামনে “অসাধারণ দুই দিন” আসতে পারে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে। তিনি মনে করেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চুক্তিই সবচেয়ে ভালো পথ, কারণ এতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সংঘাত এখন “শেষের কাছাকাছি”।

তবে তার বক্তব্যে কিছুটা দ্বৈততা দেখা গেছে। একদিকে তিনি দ্রুত সমাধানের আশা দেখালেও, অন্যদিকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।

দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প

নৌ অবরোধে বাড়ছে চাপ
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর সামুদ্রিক অবরোধ জোরদার করেছে, যার ফলে দেশটির সঙ্গে সমুদ্রপথে বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন তেলবাহী জাহাজ আটকে দেওয়া হয়েছে এবং কিছু জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

এই অবরোধের ফলে বৈশ্বিক বাজারেও প্রভাব পড়েছে। তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ভিন্ন পরিকল্পনা চীন-রাশিয়ার

আলোচনার মূল বাধা
শান্তি আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র চায় দীর্ঘমেয়াদি স্থগিতাদেশ, অন্যদিকে ইরান স্বল্পমেয়াদি বিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও মতপার্থক্য রয়েছে।

তবে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েক দিনের গোপন যোগাযোগে দুই পক্ষের অবস্থান কিছুটা কাছাকাছি এসেছে, যা নতুন আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে।

 

অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা অব্যাহত
শান্তি প্রচেষ্টার মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। এই পরিস্থিতি সামগ্রিক শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে।

চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ ইরান ও লেবাননের।

সব মিলিয়ে, সামনে সম্ভাবনা যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনি অনিশ্চয়তাও রয়ে গেছে। এখন সবার নজর আগামী কয়েক দিনের দিকে, যেখানে শান্তি নাকি নতুন সংঘাত—তা স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।