প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পুনরায় পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১৬ বছর পর ফিরল স্বীকৃতি
ক্যাবিনেট সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, দিনটি বিগত ১৬ বছর এইভাবে পালিত হয়নি। এখন এটি ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সাল থেকে দিনটির সরকারি স্বীকৃতি বাতিল ছিল।
৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সামরিক ও জনগণের যৌথ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্ত করা হয়। এই দিনটি বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর কাছে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
একই বৈঠকে সৌরশক্তির বড় ঘোষণা
একই মন্ত্রিসভা বৈঠকে সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরশক্তি থেকে ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ইরান যুদ্ধজনিত জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে এই বড় পদক্ষেপকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















