০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সেনাপ্রধান আসিম মুনির জ্বালানি সংকটে কৃষিযন্ত্রের বাজারে ধস, বিক্রি কমে ৭০ শতাংশ—চাপে পড়ছে কৃষি উৎপাদন রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারে ধস, এক মাসে বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে জ্বালানি সংকটে ধস মোটরসাইকেল বাজারে, গ্রামে বিক্রি কমেছে ৭০-৮০ শতাংশ বাংলাদেশে হাম ঝুঁকি এখনও উচ্চ, জরুরি টিকাদান জোরদারের তাগিদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরে নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা: প্রবৃদ্ধির মাঝেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা ব্রিটেন-আমেরিকা সম্পর্কের টানাপোড়েন: ট্রাম্প যুগে ‘স্পেশাল রিলেশনশিপ’ কি নতুন পথে? আইফোনের যুগের শেষপ্রান্তে অ্যাপল: নতুন নেতৃত্বে কি বদলাবে কৌশল? ইসলামাবাদ আলোচনায় প্রতিনিধিত্বের মান নামালো যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার ইসরায়েলের জন্য আসল সংকট: আমেরিকার সমর্থন হারানোর ঝুঁকি

ফেব্রুয়ারিতে দেশে-বিদেশে ক্রেডিট কার্ড খরচ কমেছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ও বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। আগের মাসের তুলনায় প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যয়ের পরিমাণ কমেছে, যা সামগ্রিকভাবে লেনদেনে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করছে।

বিদেশে বাংলাদেশিদের খরচ কমেছে
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৭৭ কোটি টাকা, যা জানুয়ারির ৪৬৩ কোটি টাকা থেকে ৮৬ কোটি টাকা কম। অর্থাৎ এক মাসেই বড় ধরনের হ্রাস দেখা গেছে।

দেশভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে, প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ড (৫০ কোটি টাকা), সিঙ্গাপুর (৩২ কোটি টাকা) এবং যুক্তরাজ্য (৩০ কোটি টাকা)। এছাড়া সৌদি আরব, ভারত, মালয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যয় হয়েছে।

বাংলাদেশে বিদেশিদের খরচেও পতন
বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারেও একই ধরনের পতন দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারিতে তাদের মোট খরচ নেমে এসেছে প্রায় ২৬৬ কোটি টাকায়, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৪৪ কোটি টাকা। এক মাসেই প্রায় ৭৮ কোটি টাকা কমেছে এই ব্যয়।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি খরচ করেছেন, প্রায় ৮৬ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে মোজাম্বিক, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা।

দেশীয় লেনদেনেও ধীরগতি
শুধু আন্তর্জাতিক নয়, দেশের ভেতরেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সংকোচন দেখা গেছে। জানুয়ারিতে যেখানে অভ্যন্তরীণ লেনদেন ছিল ৩,৭২০ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩,৪২২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এক মাসে ২৯৮ কোটি টাকা কমেছে।

সামগ্রিক চিত্র
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সব ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। দেশীয়, আন্তর্জাতিক—সব ধরনের লেনদেনেই কমে যাওয়ার এই প্রবণতা অর্থনৈতিক আচরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে সেনাপ্রধান আসিম মুনির

ফেব্রুয়ারিতে দেশে-বিদেশে ক্রেডিট কার্ড খরচ কমেছে

০৮:০৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ও বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। আগের মাসের তুলনায় প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যয়ের পরিমাণ কমেছে, যা সামগ্রিকভাবে লেনদেনে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করছে।

বিদেশে বাংলাদেশিদের খরচ কমেছে
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৭৭ কোটি টাকা, যা জানুয়ারির ৪৬৩ কোটি টাকা থেকে ৮৬ কোটি টাকা কম। অর্থাৎ এক মাসেই বড় ধরনের হ্রাস দেখা গেছে।

দেশভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে, প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ড (৫০ কোটি টাকা), সিঙ্গাপুর (৩২ কোটি টাকা) এবং যুক্তরাজ্য (৩০ কোটি টাকা)। এছাড়া সৌদি আরব, ভারত, মালয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যয় হয়েছে।

বাংলাদেশে বিদেশিদের খরচেও পতন
বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারেও একই ধরনের পতন দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারিতে তাদের মোট খরচ নেমে এসেছে প্রায় ২৬৬ কোটি টাকায়, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৪৪ কোটি টাকা। এক মাসেই প্রায় ৭৮ কোটি টাকা কমেছে এই ব্যয়।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি খরচ করেছেন, প্রায় ৮৬ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে মোজাম্বিক, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা।

দেশীয় লেনদেনেও ধীরগতি
শুধু আন্তর্জাতিক নয়, দেশের ভেতরেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সংকোচন দেখা গেছে। জানুয়ারিতে যেখানে অভ্যন্তরীণ লেনদেন ছিল ৩,৭২০ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩,৪২২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এক মাসে ২৯৮ কোটি টাকা কমেছে।

সামগ্রিক চিত্র
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সব ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। দেশীয়, আন্তর্জাতিক—সব ধরনের লেনদেনেই কমে যাওয়ার এই প্রবণতা অর্থনৈতিক আচরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।