আজ ২৪ এপ্রিল — রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের এই দিনে সাভারের আট তলা রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৪ জন পোশাক শ্রমিকের প্রাণ কেড়ে নেয়, আহত হন প্রায় আড়াই হাজার। আজ সেই ধ্বংসস্তূপের সামনে মোমবাতি হাতে জড়ো হন নিহতদের স্বজন, আহত শ্রমিক ও শ্রম অধিকার কর্মীরা — যাদের অনেকের দাবি তেরো বছরেও পূরণ হয়নি।

শ্রমিকদের কথা
আহত বুলবুলি, যিনি মেরুদণ্ড ও হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন, বলেন ধস থেকে বেঁচে ফেরার পর থেকে কাজ করতে পারছেন না, ক্ষতিপূরণের জন্য বারবার আবেদন করেও ফল মেলেনি। আরেক বেঁচে থাকা শ্রমিক মাসুদা আক্তার বলেন, ১৩ বছরেও ক্ষত শুকায়নি। শ্রম সংগঠনগুলো জানায়, নিহত ও আহতদের পরিবার এখনো সর্বজনীন স্থানে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচার চাইতে বাধ্য হচ্ছে — এটা জাতীয় ব্যর্থতা।
কী বদলেছে, কী বদলায়নি
২০১৩ সালে মজুরি ছিল তিন হাজার টাকা, এখন তা ১২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। কারখানার নিরাপত্তা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও চলতি বছরের এপ্রিলেই নারায়ণগঞ্জের একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শ্রম সংগঠনগুলো ২০২৬ সালের শ্রম আইন সংশোধনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও বলছে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতে আরও অনেক পথ বাকি।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















