০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাশিয়ায় ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ কঠোর, জনরোষ বাড়ছে রাজশাহীর কলেজে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, তদন্ত ও বিচার দাবিতে সরব জামায়াত গোপন তথ্য দিয়ে পলিমার্কেটে বাজি ধরলেন মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সদস্য, গ্রেপ্তার মুরগির দামে স্বস্তি, কিন্তু ডিম-চিনি-পেঁয়াজে চাপ: বাজারে মিশ্র চিত্র লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় সাংবাদিক নিহত, ইরান-মার্কিন আলোচনায় অচলাবস্থা গাইবান্ধায় রহস্যজনক মৃত্যু: অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে প্রশ্নের ঝড় হরমুজে মাইন পাতা ইরানি নৌকা দেখলেই গুলি করার নির্দেশ ট্রাম্পের কৌতূহলের সীমানা ভেঙে ঢাবিতে আন্তর্জাতিক কুইজ উৎসব, ২-৪ মে বসছে জ্ঞানের আসর গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৭২ হাজার ৫০০ সার্ক কি আদৌ কার্যকর করা সম্ভব

রানা প্লাজা ধস: ১৩ বছরেও বিচার মেলেনি, মোমবাতি হাতে সাভারে কাঁদলেন বেঁচে থাকা শ্রমিকেরা

আজ ২৪ এপ্রিল — রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের এই দিনে সাভারের আট তলা রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৪ জন পোশাক শ্রমিকের প্রাণ কেড়ে নেয়, আহত হন প্রায় আড়াই হাজার। আজ সেই ধ্বংসস্তূপের সামনে মোমবাতি হাতে জড়ো হন নিহতদের স্বজন, আহত শ্রমিক ও শ্রম অধিকার কর্মীরা — যাদের অনেকের দাবি তেরো বছরেও পূরণ হয়নি।

রানা প্লাজা ধস: ১০ বছরেও মেলেনি বিচার

শ্রমিকদের কথা

আহত বুলবুলি, যিনি মেরুদণ্ড ও হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন, বলেন ধস থেকে বেঁচে ফেরার পর থেকে কাজ করতে পারছেন না, ক্ষতিপূরণের জন্য বারবার আবেদন করেও ফল মেলেনি। আরেক বেঁচে থাকা শ্রমিক মাসুদা আক্তার বলেন, ১৩ বছরেও ক্ষত শুকায়নি। শ্রম সংগঠনগুলো জানায়, নিহত ও আহতদের পরিবার এখনো সর্বজনীন স্থানে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচার চাইতে বাধ্য হচ্ছে — এটা জাতীয় ব্যর্থতা।

কী বদলেছে, কী বদলায়নি

২০১৩ সালে মজুরি ছিল তিন হাজার টাকা, এখন তা ১২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। কারখানার নিরাপত্তা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও চলতি বছরের এপ্রিলেই নারায়ণগঞ্জের একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শ্রম সংগঠনগুলো ২০২৬ সালের শ্রম আইন সংশোধনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও বলছে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতে আরও অনেক পথ বাকি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ায় ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ কঠোর, জনরোষ বাড়ছে

রানা প্লাজা ধস: ১৩ বছরেও বিচার মেলেনি, মোমবাতি হাতে সাভারে কাঁদলেন বেঁচে থাকা শ্রমিকেরা

০৪:২৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ ২৪ এপ্রিল — রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকী। ২০১৩ সালের এই দিনে সাভারের আট তলা রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে এক হাজার ১৩৪ জন পোশাক শ্রমিকের প্রাণ কেড়ে নেয়, আহত হন প্রায় আড়াই হাজার। আজ সেই ধ্বংসস্তূপের সামনে মোমবাতি হাতে জড়ো হন নিহতদের স্বজন, আহত শ্রমিক ও শ্রম অধিকার কর্মীরা — যাদের অনেকের দাবি তেরো বছরেও পূরণ হয়নি।

রানা প্লাজা ধস: ১০ বছরেও মেলেনি বিচার

শ্রমিকদের কথা

আহত বুলবুলি, যিনি মেরুদণ্ড ও হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন, বলেন ধস থেকে বেঁচে ফেরার পর থেকে কাজ করতে পারছেন না, ক্ষতিপূরণের জন্য বারবার আবেদন করেও ফল মেলেনি। আরেক বেঁচে থাকা শ্রমিক মাসুদা আক্তার বলেন, ১৩ বছরেও ক্ষত শুকায়নি। শ্রম সংগঠনগুলো জানায়, নিহত ও আহতদের পরিবার এখনো সর্বজনীন স্থানে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচার চাইতে বাধ্য হচ্ছে — এটা জাতীয় ব্যর্থতা।

কী বদলেছে, কী বদলায়নি

২০১৩ সালে মজুরি ছিল তিন হাজার টাকা, এখন তা ১২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। কারখানার নিরাপত্তা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও চলতি বছরের এপ্রিলেই নারায়ণগঞ্জের একটি গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে পাঁচ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শ্রম সংগঠনগুলো ২০২৬ সালের শ্রম আইন সংশোধনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও বলছে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতে আরও অনেক পথ বাকি।