তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। গ্রামীণ অঞ্চলে প্রতিদিন আট থেকে দশ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার এখন রাজধানী ঢাকায়ও ১১০ মেগাওয়াটের পরীক্ষামূলক লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংসদে জানিয়েছেন, “গ্রামের মানুষ কষ্ট পাবে আর শহরের মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, এটা হতে পারে না।”
সংকটের গভীরে যা আছে
পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৮টায় চাহিদা ছিল ১৬,২৩৭ মেগাওয়াট, উৎপাদন ছিল ১৩,৯৮৮ মেগাওয়াট, অর্থাৎ ঘাটতি ২,২৪৯ মেগাওয়াট। নোয়াখালীতে দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। খুলনায় চিংড়ি চাষিরা জানিয়েছেন, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ গেলেই চিংড়ি মরে যায়। রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা রাতে পড়তে পারছেন না। তিনটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে বন্ধ বা কম সক্ষমতায় চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধের জেরে ইন্দোনেশিয়া কয়লা রপ্তানি কমিয়ে দেওয়া এবং গ্যাস সরবরাহ সংকোচন পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে কয়লা সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হলে প্রায় ১,৯৮২ মেগাওয়াট বাড়তি উৎপাদন আসতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















