টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দারা। বুধবার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে দুর্ভোগ
মঙ্গলবারের ভারী বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া এলাকার পানি পুরোপুরি না নামায় বুধবারও প্রবর্তক মোড়, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, জামালখান, হালিশহরসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা যায়। পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
সংসদে দুঃখ প্রকাশ, কাজের আশ্বাস

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে সংসদ অধিবেশনে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, সমস্যা নিরসনে কাজ চলছে। এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম চট্টগ্রাম সফর করে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বর্ষার আগে খাল সংস্কারের কাজ শেষ করার আশ্বাস দেন।
বাসিন্দাদের ক্ষোভ: সুফল মিলছে না উদ্যোগে
চকবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. হোসেন বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি জমে যায়।
অফিসগামী শিমলা ইসলাম অভিযোগ করেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও বাস্তবে কোনো সুফল পাচ্ছেন না নগরবাসী।
মেয়রের ক্ষমা প্রার্থনা
পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে নগরবাসীর কাছে ক্ষমা চান চসিক মেয়র। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চললেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জন্য তারা দুঃখিত।

খুলনায় দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ডুবে যায় সড়ক
অন্যদিকে খুলনায় মাত্র দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ সড়ক ও নিম্নাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যায়। টুটপাড়া, খালিশপুর, বাস্তুহারা এলাকা, দিলখোলা রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘসময় পানি জমে ছিল।
কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষায় বিঘ্ন
কুমিল্লা নগরীতেও ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে ঈশ্বর পাঠশালা কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষে পানি উঠে গেলে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ে। পরে ওই কক্ষগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















