পদত্যাগ করেছেন লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা৷ জোট সরকার ভেঙে যাওয়ায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি৷
এর আগে রাশিয়ায় না গিয়ে ইউক্রেনের ড্রোন লাটভিয়ার পূর্বাঞ্চলের একটি পরিত্যক্ত তেল সংরক্ষণাগারে আঘাত হানলে সেখানে আগুন লেগে যায়৷ কোনো সম্ভাব্য হুমকিকে নিষ্ক্রিয় করার লক্ষ্যে ড্রোন-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত মোতায়েন না করার অভিযোগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রিস স্প্রুডসকে পদত্যাগে বাধ্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা৷ এর প্রতিবাদে জোট সরকারের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় আন্দ্রিস প্রুডসের প্রগ্রেসিভ পার্টি৷ দলটি মনে করে, সামগ্রিক ব্যর্থতার দায় এড়াতে স্প্রুডসকে ‘বলির পাঁঠা’ বানিয়েছেন সিলিনা৷ প্রগ্রেসিভ পার্টি সমর্থন প্রত্যাহার করায় সরকার পরিচালনার জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় মধ্য-ডানপন্থি নিউ ইউনিটি দলের নেত্রী এভিকা সিলিনার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার৷
বৃহস্পতিবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে সিলিনা বলেন, ‘‘আমি পদত্যাগ করছি, কিন্তু হাল ছাড়ছি না৷”
অনলাইনে সরকারের এই পরিণতির জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দায়ী করে তিনি বলেন, ‘‘এখন এবং সবসময়ই আমার অগ্রাধিকার লাটভিয়ার জনগণের কল্যাণ ও নিরাপত্তা৷ দল ও জোট বদলাতে হতে পারে, কিন্তু লাটভিয়া অটুট থাকে৷”
সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট এডগার রিঙ্কেভিচস এখন সরকারপ্রধান৷ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বও এখন তাঁর কাঁধে৷
বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে বিরোধের কারণে তিন-দলীয় জোটে আগে থেকেই টানাপোড়েন চলছিল৷ এভিকা সিলিনার নিউ ইউনিটি দল জোট সরকারের সবচেয়ে বড় শরিক৷ সংসদে ২৫টি আসন ছিল তাদের৷ ১৬টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল কৃষিভিত্তিক দল জেডজেডএস৷ বামপন্থি প্রগ্রেসিভস দলের আসন ছিল মাত্র নয়টি৷
চলতি বছরের অক্টোবরে এমনিতেই লাটভিয়ায় নির্বাচন হওয়ার কথা৷
ডিডাব্লিউ ডটকম
Sarakhon Report 



















