০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরিশালে পুকুরে বাস, নিহত ১ স্ত্রী বিদেশে যাওয়ার চার দিনের মাথায় সুনামগঞ্জে তিন সন্তানের মৃত্যু, বাবার বিরুদ্ধে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ কুষ্টিয়ায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণীর মৃত্যু রুশ পার্লামেন্টে কি ফের পুতিনপন্থীদের দখল থাকবে? শি জিনপিংয়ের নৈশভোজে জায়গা পাওয়া ‘কঠিন টিকিট’, অতিথির সংখ্যা সীমিত রাখছে হোয়াইট হাউস ট্রাম্প-মেলানিয়ার ‘ডাবল ডেট’—হোয়াইট হাউসে শি-পেংকে ঘিরে নজিরবিহীন আয়োজন চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেসে চাপ বাড়ছে, শি জিনপিংয়ের সফরের আগে ট্রাম্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ একা থাকা কি আত্মভালোবাসা, নাকি নিঃসঙ্গতার আড়াল? চিকিৎসকের কাছে গিয়েও কেন শোনা হচ্ছে না নারীর কথা, স্বাস্থ্য সমস্যার প্রভাব কর্মজীবন থেকে পরিবারে এআই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন কি একসঙ্গে কাজ করতে পারে?

লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, জবাবে সাবধানে পাকিস্তান

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনে বড় বিপদের মুখে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন দাসের দারুণ পাল্টা আক্রমণাত্মক সেঞ্চুরিতে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় স্বাগতিকরা। তাঁর ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হয়। দিনের শেষ ভাগে ব্যাট করতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান।

শুরুর ধাক্কার পর লিটনের লড়াই

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা স্থিরতা পেলেও মধ্যাহ্ন বিরতির পর ভয়াবহ ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯ রান করে মোহাম্মদ আব্বাসের দারুণ এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এই উইকেটের মাধ্যমে পাকিস্তানের বাইরে নিজের ১০০তম টেস্ট উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন আব্বাস।

এরপর খুররম শাহজাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ২৩ রান করে এলবিডব্লিউ হন রিভিউয়ের মাধ্যমে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ মাত্র ৪ রান করে আউট হলে ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে পুরোপুরি বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটি লিটন দাসের | দৈনিক নয়া দিগন্ত

নিচের সারির সঙ্গে লিটনের গুরুত্বপূর্ণ জুটি

চাপের মুখে একাই লড়াই চালিয়ে যান লিটন দাস। নিচের সারির ব্যাটারদের নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জুটি। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি এবং শরিফুল ইসলামের সঙ্গে নবম উইকেটে ৬৪ রানের জুটি বাংলাদেশের সংগ্রহকে লড়াই করার মতো অবস্থানে নিয়ে যায়।

লিটন ১৫৯ বলে ১২৬ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৬টি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ বিকেলে দ্রুত রান তোলার পথে এগিয়ে গিয়ে দৃষ্টিনন্দন সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। পরে হাসান আলির বলে আউট হন। হাসান আলি ২ উইকেট নেন। চার বল পর নাহিদ রানাকে শূন্য রানে ফেরালে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ২৭৮ রানে।

পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত জবাব

বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার পর দিনের খেলা শেষ হতে বাকি ছিল মাত্র ছয় ওভার। কঠিন সেই সময়টায় কোনো ঝুঁকি না নিয়ে ধৈর্যের সঙ্গে ব্যাট করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আবদুল্লাহ ফজল।

আজান ১৩ এবং আবদুল্লাহ ৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পেস ও স্পিন মিলিয়ে আক্রমণ সামলে দিন শেষ করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে পাকিস্তান এখনও বাংলাদেশের চেয়ে ২৫৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লড়াই আরও জমে উঠেছে।

খুররম শাহজাদ ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ৮১ রানে ৪ উইকেট নেন। অন্যদিকে অভিজ্ঞ মোহাম্মদ আব্বাস ৪৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের মধ্যভাগে ধস নামাতে বড় ভূমিকা রাখেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে পুকুরে বাস, নিহত ১

লিটনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ, জবাবে সাবধানে পাকিস্তান

০৭:০৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনে বড় বিপদের মুখে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন দাসের দারুণ পাল্টা আক্রমণাত্মক সেঞ্চুরিতে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় স্বাগতিকরা। তাঁর ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হয়। দিনের শেষ ভাগে ব্যাট করতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান।

শুরুর ধাক্কার পর লিটনের লড়াই

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা স্থিরতা পেলেও মধ্যাহ্ন বিরতির পর ভয়াবহ ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯ রান করে মোহাম্মদ আব্বাসের দারুণ এক ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এই উইকেটের মাধ্যমে পাকিস্তানের বাইরে নিজের ১০০তম টেস্ট উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন আব্বাস।

এরপর খুররম শাহজাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্রুত চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ২৩ রান করে এলবিডব্লিউ হন রিভিউয়ের মাধ্যমে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ মাত্র ৪ রান করে আউট হলে ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে পুরোপুরি বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনটি লিটন দাসের | দৈনিক নয়া দিগন্ত

নিচের সারির সঙ্গে লিটনের গুরুত্বপূর্ণ জুটি

চাপের মুখে একাই লড়াই চালিয়ে যান লিটন দাস। নিচের সারির ব্যাটারদের নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জুটি। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি এবং শরিফুল ইসলামের সঙ্গে নবম উইকেটে ৬৪ রানের জুটি বাংলাদেশের সংগ্রহকে লড়াই করার মতো অবস্থানে নিয়ে যায়।

লিটন ১৫৯ বলে ১২৬ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৬টি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ বিকেলে দ্রুত রান তোলার পথে এগিয়ে গিয়ে দৃষ্টিনন্দন সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। পরে হাসান আলির বলে আউট হন। হাসান আলি ২ উইকেট নেন। চার বল পর নাহিদ রানাকে শূন্য রানে ফেরালে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ২৭৮ রানে।

পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত জবাব

বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার পর দিনের খেলা শেষ হতে বাকি ছিল মাত্র ছয় ওভার। কঠিন সেই সময়টায় কোনো ঝুঁকি না নিয়ে ধৈর্যের সঙ্গে ব্যাট করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও আবদুল্লাহ ফজল।

আজান ১৩ এবং আবদুল্লাহ ৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পেস ও স্পিন মিলিয়ে আক্রমণ সামলে দিন শেষ করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিনের শুরুতে পাকিস্তান এখনও বাংলাদেশের চেয়ে ২৫৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লড়াই আরও জমে উঠেছে।

খুররম শাহজাদ ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ৮১ রানে ৪ উইকেট নেন। অন্যদিকে অভিজ্ঞ মোহাম্মদ আব্বাস ৪৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের মধ্যভাগে ধস নামাতে বড় ভূমিকা রাখেন।