পাকিস্তানের দেশীয় তুলা উৎপাদন চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে আসায় দেশটির বস্ত্র শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে। এ বছর তুলা আমদানি বাবদ ব্যয় ১২০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে শিল্প বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। এই পরিস্থিতি দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় চাপ তৈরি করছে।
উৎপাদন পতনের কারণ

ডন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান বিজনেস ফোরামের (পিবিএফ) সঙ্গে বাজেট আলোচনায় জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রী রানা তানভীর হুসেইন তুলা খাতের পুনরুজ্জীবনে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ইউএসডিএর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ মৌসুমে পাকিস্তানের তুলা উৎপাদন গত বছরের তুলনায় আরও কমে ৬৯ লাখ বেল হতে পারে, অথচ দেশীয় চাহিদা রয়েছে প্রায় ১ কোটি ৪১ লাখ বেল। এই ব্যবধান পূরণে ৭২ লাখ বেল আমদানি করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বস্ত্র শিল্পে সংকটের ছায়া
অতিরিক্ত কর, উচ্চ বিদ্যুৎ শুল্ক এবং চীন ও অন্যান্য দেশ থেকে কম দামে আমদানি হওয়া সুতা ও কাপড়ের কারণে শত শত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কটন জিনার্স ফোরামের চেয়ারম্যান ইহসানুল হক জানান, ইতোমধ্যে ১০০টির বেশি স্পিনিং মিল এবং ৪০০টির বেশি জিনিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চাষের এলাকা ও উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়াকেও এই সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















