০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
কানাডায় সহায়ক মৃত্যুর চিকিৎসককে ঘিরে বিতর্ক, তদন্তের পরও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি এআই বটের দখলে খুচরা শেয়ার লেনদেন? এশিয়ার ব্রোকারেজ দুনিয়ায় নতুন প্রতিযোগিতা জার্ডিনসের ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি, অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ রেডিওলজি প্রতিষ্ঠান আই-মেড কিনছে এশিয়ান কংগ্লোমারেট ইন্দোনেশিয়ার আতিথেয়তার সীমাবদ্ধতা মধ্যপ্রাচ্য সংকটে টয়োটার উৎপাদন কমছে, নভেম্বর পর্যন্ত ৮৩ হাজার কমানোর পরিকল্পনা জাপানের খাদ্যপণ্যে ‘শ্রিংকফ্লেশন’ সংকট, কালো-সাদা মোড়কে যাচ্ছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মালয়েশিয়া-জাপান হাইড্রোজেন প্রকল্পে ধাক্কা, অর্থসংকটে কমছে বিনিয়োগ ও উৎপাদন পরিকল্পনা নারীদের বাড়ছে যুদ্ধক্ষেত্রের মৃত্যু, ইরান সংঘাতে নতুন বাস্তবতা দেখছে মার্কিন সেনাবাহিনী রাশিয়ার ভয়াবহ হামলায় কেঁপে উঠল কিয়েভ, আহত ৮০-এর বেশি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে সমঝোতার ইঙ্গিত, তবে চুক্তি এখনো অনিশ্চিত

লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, মানবপাচারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অনেকে

লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। সোমবার সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরার পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করেছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে অনেকে অপহরণ, নির্যাতন ও অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংকটের মধ্যে আটকে থাকার পর অবশেষে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান।

বিমানবন্দরে সহায়তা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরত আসা ব্যক্তিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। এ সময় তারা দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়।

ফেরত আসা প্রত্যেককে আইওএমের পক্ষ থেকে যাতায়াত ভাতা, খাদ্য সহায়তা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং অস্থায়ী আশ্রয়ের সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭০ বাংলাদেশি

মানবপাচারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে লিবিয়াকে ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। এ সুযোগে সক্রিয় মানবপাচার চক্র বহু মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় প্রলুব্ধ করছে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতি বছর অনেকে দালালদের মাধ্যমে বিপজ্জনক এই পথে পাড়ি জমাচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে আরও বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

সরকারি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মানবপাচারকারীদের প্রতারণা থেকে দূরে রাখতে পরিবার ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কানাডায় সহায়ক মৃত্যুর চিকিৎসককে ঘিরে বিতর্ক, তদন্তের পরও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি

লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ বাংলাদেশির দেশে ফেরা, মানবপাচারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অনেকে

০৬:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। সোমবার সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরার পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করেছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে অনেকে অপহরণ, নির্যাতন ও অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংকটের মধ্যে আটকে থাকার পর অবশেষে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান।

বিমানবন্দরে সহায়তা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরত আসা ব্যক্তিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। এ সময় তারা দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের নিজেদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়।

ফেরত আসা প্রত্যেককে আইওএমের পক্ষ থেকে যাতায়াত ভাতা, খাদ্য সহায়তা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং অস্থায়ী আশ্রয়ের সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭০ বাংলাদেশি

মানবপাচারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে লিবিয়াকে ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। এ সুযোগে সক্রিয় মানবপাচার চক্র বহু মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় প্রলুব্ধ করছে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতি বছর অনেকে দালালদের মাধ্যমে বিপজ্জনক এই পথে পাড়ি জমাচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে আরও বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

সরকারি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মানবপাচারকারীদের প্রতারণা থেকে দূরে রাখতে পরিবার ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।