০৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
বাজেটে ভ্যাটের বড় পরিবর্তন: ছোট ব্যবসাও আসছে করজালে, বাড়তে পারে ফ্রিজ-এসির দাম খুলনায় ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা যুবককে, পুরোনো হামলার যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ ইউসিবিতে ৫,৫৯৫ কোটি টাকার সংরক্ষণ ঘাটতি, মূলধন সংকট নিয়ে অডিটরের গুরুতর সতর্কবার্তা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয় সীমান্তে অপরাধ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনায় মৃত্যু হলে তা ‘সীমান্ত হত্যা’ নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পেটের ভেতরেই রোগ শনাক্ত করবে ‘খাওয়া যায়’ এমন ইলেকট্রনিকস, চিকিৎসায় খুলছে নতুন দিগন্ত ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত থামার আশা, নতুন করে আলোচনায় ইরান অটিজম থেরাপি খাতে বিস্ফোরক প্রবৃদ্ধি, সঙ্গে বাড়ছে বিল জালিয়াতির অভিযোগ ৮৪ বছরেও নতুন বাজি: ক্যাসিনো সাম্রাজ্য গড়তে এমজিএম কিনতে চান ব্যারি ডিলার আইপিএলের উত্থানে বদলে যাচ্ছে ক্রিকেটের মানচিত্র, বাড়ছে ক্লাবভিত্তিক আধিপত্যের প্রশ্ন

এক ঘন্টা আগেঅনলাইন প্রতারণার অভিযোগে কাঠমান্ডুতে ১৫ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • 15

কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারের মতো অনলাইন স্ক্যাম (প্রতারণা) সেন্টার পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে কাঠমান্ডু পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রধান পর্যটন এলাকা থামেল থেকে পুলিশ ১৫ জন বাংলাদেশি এবং চারজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে।

বিবিসি নেপালি সার্ভিসের সংবাদদাতা অশোক দাহাল জানিয়েছেন, নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একজন চীনা নাগরিকের চালানো একটি ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ কর্মরত ছিলেন।

ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি বলেছেন, “ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আমরা তাকে খুঁজছি।”

পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশিরভাগই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করেছেন। তারা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচয় হওয়া চীনা অপারেটররা তাদের নেপালে নিয়ে এসেছে।

পুলিশ সুপার কার্কির মতে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে এ চক্রটি ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, চক্রটি স্থানীয় নেপালিদের নয়, বরং প্রধানত বাংলাদেশি এবং ভারতীয় নাগরিকেরা ছিলেন তাদের টার্গেট।

শুক্রবার গ্রেপ্তার ১৯ জনকেই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদেরকে ডিপোর্ট অর্থাৎ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

জানা গেছে, স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন।

হোটেলের মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপি ভাড়ার বিনিময়ে হোটেলটি লিজ দিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

বিবিসি লাইভ

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে ভ্যাটের বড় পরিবর্তন: ছোট ব্যবসাও আসছে করজালে, বাড়তে পারে ফ্রিজ-এসির দাম

এক ঘন্টা আগেঅনলাইন প্রতারণার অভিযোগে কাঠমান্ডুতে ১৫ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

০৭:৫২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারের মতো অনলাইন স্ক্যাম (প্রতারণা) সেন্টার পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগে কাঠমান্ডু পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রধান পর্যটন এলাকা থামেল থেকে পুলিশ ১৫ জন বাংলাদেশি এবং চারজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে।

বিবিসি নেপালি সার্ভিসের সংবাদদাতা অশোক দাহাল জানিয়েছেন, নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একজন চীনা নাগরিকের চালানো একটি ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ কর্মরত ছিলেন।

ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি বলেছেন, “ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আমরা তাকে খুঁজছি।”

পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশিরভাগই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করেছেন। তারা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচয় হওয়া চীনা অপারেটররা তাদের নেপালে নিয়ে এসেছে।

পুলিশ সুপার কার্কির মতে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে এ চক্রটি ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, চক্রটি স্থানীয় নেপালিদের নয়, বরং প্রধানত বাংলাদেশি এবং ভারতীয় নাগরিকেরা ছিলেন তাদের টার্গেট।

শুক্রবার গ্রেপ্তার ১৯ জনকেই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদেরকে ডিপোর্ট অর্থাৎ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

জানা গেছে, স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন।

হোটেলের মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপি ভাড়ার বিনিময়ে হোটেলটি লিজ দিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

বিবিসি লাইভ