০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬
ইংল্যান্ডের দাপুটে জয়, লর্ডসে প্রথম টেস্টে হার মানল নিউজিল্যান্ড বাতাস থেকে কার্বন সরানোর স্বপ্নে ধাক্কা, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাড়ছে উদ্বেগ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি ‘অপরিবর্তনীয়’, শি জিনপিং সফরের আগে কড়া বার্তা পিয়ংইয়ংয়ের সত্তরেও অদম্য গিনা ডেভিস: শক্তিশালী নারী চরিত্রই বদলে দিয়েছে তাঁর জীবন লেবাননের বউফোর্ট দুর্গ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে আবারও কৌশলগত কেন্দ্র নগর থেকে রাষ্ট্র: পাকিস্তানের সংস্কারের আসল পরীক্ষার ময়দান নামহীন শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, দায়বদ্ধতার নতুন ভাষা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিদ্রোহ: নেতৃত্বের সংকট নয়, বিশ্বাসের সংকটই বড় বিপদ হামে ছড়িয়ে উদ্বেগ: আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২০ বিজয়ের তারকা জনপ্রিয়তাকে ছাড়িয়ে গেছে রাজনৈতিক প্রভাব, দাবি টিভিকে মন্ত্রীর

চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে বিজ্ঞানীদের উত্থান, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় বদলে যাচ্ছে নেতৃত্বের চেহারা

চীনকে দীর্ঘদিন ধরেই ‘প্রকৌশলীদের দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করা হলেও বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা অনেকেরই প্রকৌশল বিষয়ে ডিগ্রি থাকলেও তারা পেশাগত জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন প্রশাসন ও দলীয় রাজনীতিতে। তবে এখন সেই চিত্র দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে চীনের ক্ষমতার কাঠামোয় সরাসরি বিজ্ঞানী ও গবেষকদের উপস্থিতি বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে চীনের নেতৃত্ব এখন বিজ্ঞানভিত্তিক নীতিনির্ধারণকে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে রসায়নবিদ, পদার্থবিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং অন্যান্য গবেষকরা ধীরে ধীরে রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে জায়গা করে নিচ্ছেন।

দলীয় নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের সংখ্যা বাড়ছে

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের শীর্ষ নীতিনির্ধারণী কাঠামোয় বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটির বিভিন্ন একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত শীর্ষ গবেষকরা এখন দলীয় নেতৃত্ব এবং সরকারি দায়িত্বে যুক্ত হচ্ছেন।

এক দশক আগে যেখানে এই ধরনের বিজ্ঞানীদের উপস্থিতি সীমিত ছিল, এখন তারা নীতিনির্ধারণ, গবেষণা বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কৌশল তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখছেন। এর লক্ষ্য হলো উদ্ভাবন, গবেষণা এবং শিল্প উন্নয়নের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা।

China's Rapid Rise in AI and Technology: What the World Can Learn

গবেষণাগার থেকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে

চীনের প্রযুক্তি উন্নয়ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা গবেষককে সরকারি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাইক্রোইলেকট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ হুয়াং রু দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ তদারকি করছেন।

একইভাবে উপগ্রহভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞদেরও উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পদে আনা হয়েছে। এসব নিয়োগের মাধ্যমে সরকার গবেষণা ও শিল্পনীতির মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে চাইছে।

প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার

চীনের প্রযুক্তি কৌশল এখন শুধু একটি মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প এবং রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা—সব ক্ষেত্রকে একত্রিত করে জাতীয় পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শিক্ষা খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যেও এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের পেশাগত পরিচয় মূলত বিজ্ঞানী বা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য অবকাঠামো এবং উন্নত প্রকৌশল খাতে দক্ষ ব্যক্তিদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আনা হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে গতি আসে।

The Future of China-US Tech Competition - CKGSB Knowledge

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বড় কারণ

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা চীনের এই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন খাতে এগিয়ে যেতে চীন এখন বাস্তব ফলাফলের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

অর্থনীতি বা অন্যান্য নীতিগত ক্ষেত্রে মতাদর্শের প্রভাব থাকলেও প্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব স্পষ্ট ফলাফল দেখতে চায়। এ কারণে বিশেষজ্ঞভিত্তিক বা প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্বের গুরুত্ব বাড়ছে।

রাজনৈতিক সুবিধাও রয়েছে

The Leadership Skills Scientists Need Right Now

বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে আনার পেছনে রাজনৈতিক হিসাবও থাকতে পারে। অনেক গবেষক দীর্ঘদিন একাডেমিক জগতে কাজ করায় তাদের প্রশাসনিক নেটওয়ার্ক তুলনামূলক সীমিত। ফলে তারা ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীগত রাজনীতির সঙ্গে কম জড়িত থাকেন।

এছাড়া দুর্নীতি বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট চক্রের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিলে নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে অতীতের কিছু বিতর্কের পর নতুন ধরনের নেতৃত্বের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

নতুন নেতৃত্বের পথ কি বিজ্ঞান?

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে বিশ্বস্ত এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে আসছে। এখন মনে হচ্ছে সেই সমীকরণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

আগামী নেতৃত্ব পুনর্গঠনের সময় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হতে পারে। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখন শুধু গবেষণাগারের সম্পদ নয়, বরং ক্ষমতার কেন্দ্রেও প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হয়ে উঠছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইংল্যান্ডের দাপুটে জয়, লর্ডসে প্রথম টেস্টে হার মানল নিউজিল্যান্ড

চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে বিজ্ঞানীদের উত্থান, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় বদলে যাচ্ছে নেতৃত্বের চেহারা

০৫:১৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

চীনকে দীর্ঘদিন ধরেই ‘প্রকৌশলীদের দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করা হলেও বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা অনেকেরই প্রকৌশল বিষয়ে ডিগ্রি থাকলেও তারা পেশাগত জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন প্রশাসন ও দলীয় রাজনীতিতে। তবে এখন সেই চিত্র দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে চীনের ক্ষমতার কাঠামোয় সরাসরি বিজ্ঞানী ও গবেষকদের উপস্থিতি বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে চীনের নেতৃত্ব এখন বিজ্ঞানভিত্তিক নীতিনির্ধারণকে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে রসায়নবিদ, পদার্থবিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং অন্যান্য গবেষকরা ধীরে ধীরে রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে জায়গা করে নিচ্ছেন।

দলীয় নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের সংখ্যা বাড়ছে

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের শীর্ষ নীতিনির্ধারণী কাঠামোয় বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটির বিভিন্ন একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত শীর্ষ গবেষকরা এখন দলীয় নেতৃত্ব এবং সরকারি দায়িত্বে যুক্ত হচ্ছেন।

এক দশক আগে যেখানে এই ধরনের বিজ্ঞানীদের উপস্থিতি সীমিত ছিল, এখন তারা নীতিনির্ধারণ, গবেষণা বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কৌশল তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখছেন। এর লক্ষ্য হলো উদ্ভাবন, গবেষণা এবং শিল্প উন্নয়নের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা।

China's Rapid Rise in AI and Technology: What the World Can Learn

গবেষণাগার থেকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে

চীনের প্রযুক্তি উন্নয়ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা গবেষককে সরকারি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাইক্রোইলেকট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ হুয়াং রু দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ তদারকি করছেন।

একইভাবে উপগ্রহভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞদেরও উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পদে আনা হয়েছে। এসব নিয়োগের মাধ্যমে সরকার গবেষণা ও শিল্পনীতির মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে চাইছে।

প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার

চীনের প্রযুক্তি কৌশল এখন শুধু একটি মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প এবং রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা—সব ক্ষেত্রকে একত্রিত করে জাতীয় পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শিক্ষা খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যেও এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের পেশাগত পরিচয় মূলত বিজ্ঞানী বা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য অবকাঠামো এবং উন্নত প্রকৌশল খাতে দক্ষ ব্যক্তিদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আনা হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে গতি আসে।

The Future of China-US Tech Competition - CKGSB Knowledge

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বড় কারণ

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা চীনের এই পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন খাতে এগিয়ে যেতে চীন এখন বাস্তব ফলাফলের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

অর্থনীতি বা অন্যান্য নীতিগত ক্ষেত্রে মতাদর্শের প্রভাব থাকলেও প্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব স্পষ্ট ফলাফল দেখতে চায়। এ কারণে বিশেষজ্ঞভিত্তিক বা প্রযুক্তিনির্ভর নেতৃত্বের গুরুত্ব বাড়ছে।

রাজনৈতিক সুবিধাও রয়েছে

The Leadership Skills Scientists Need Right Now

বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে আনার পেছনে রাজনৈতিক হিসাবও থাকতে পারে। অনেক গবেষক দীর্ঘদিন একাডেমিক জগতে কাজ করায় তাদের প্রশাসনিক নেটওয়ার্ক তুলনামূলক সীমিত। ফলে তারা ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীগত রাজনীতির সঙ্গে কম জড়িত থাকেন।

এছাড়া দুর্নীতি বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট চক্রের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিলে নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে অতীতের কিছু বিতর্কের পর নতুন ধরনের নেতৃত্বের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

নতুন নেতৃত্বের পথ কি বিজ্ঞান?

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে বিশ্বস্ত এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে আসছে। এখন মনে হচ্ছে সেই সমীকরণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

আগামী নেতৃত্ব পুনর্গঠনের সময় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হতে পারে। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখন শুধু গবেষণাগারের সম্পদ নয়, বরং ক্ষমতার কেন্দ্রেও প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হয়ে উঠছে।