০৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে সংসদে অমিত শাহের লেকচার শুনতে আগ্রহী নই: রাহুল গান্ধী লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরে একদিনে তিন জাহাজে হামলা, নিহত ৬; ৩ পাকিস্তানি ট্রাম্পকে গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয় এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে, ইরানি হামলার আশঙ্কায় চমকপ্রদ নিরাপত্তা অভিযান তালেবান শাসনে ২৪ লাখ আফগান কিশোরীর মাধ্যমিক শিক্ষা বন্ধ, অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান ইউনেস্কোর বাইডেনের স্বাস্থ্য সংকট ডেমোক্র্যাটদের গভীর রাজনৈতিক সংকটও উন্মোচন করছে লোডশেডিং ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎ অফিসে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় আবেদন মশাখালীতে যমুনা এক্সপ্রেস থামিয়ে আন্দোলন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ খুলনায় ইটভাটায় যুবককে গুলি করে হত্যা, মাথায় গুলি করে পালাল দুর্বৃত্তরা নারীদের ট্যুর দ্য ফ্রান্সে রুদ্ধশ্বাস লড়াই, ৮ সেকেন্ডের নাটক পেরিয়ে ভোলেরিংয়ের জয়

সাভার থানার আরও এক পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ

মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও মাদকসংক্রান্ত মামলায় অনিয়মের অভিযোগে সাভার মডেল থানার এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সর্বশেষ এ পদক্ষেপের মাধ্যমে থানাটির একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে চলমান নজরদারির বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) হেলাল উদ্দিনকে ঢাকা জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাভারের রাজাশন এলাকায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. জাহাঙ্গীর আলম। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কারণ জানেন না বলে জানিয়েছেন।

থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধারাবাহিকতা

সাভার মডেল থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে গত মে মাসের শেষ দিকে একই থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীকেও প্রত্যাহার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে এলাকার শীর্ষ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারে গাফিলতি, ওই ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ ওঠে। একই ধরনের অভিযোগে থানার আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্যকেও এর আগে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার পর বাড়ে আলোচনা

সূত্রগুলো জানায়, গত ২২ মে দেশ টিভি ও এসএ টিভির তিন সাংবাদিক রাজাশন এলাকায় শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত শামীম রেজার আস্তানায় সংবাদ সংগ্রহে যান।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে শামীম রেজা ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় ২১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তবে অভিযোগ অনুযায়ী, মামলা হওয়ার পরও তৎকালীন ওসি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপর থেকেই থানার বিভিন্ন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা বাড়তে থাকে।

সাম্প্রতিক সময়ে সাভার মডেল থানার একাধিক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের ঘটনায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাভার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) হেলাল উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে ঢাকা জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে থানার ওসিসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি

সাভার থানার আরও এক পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ

০৭:৫০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও মাদকসংক্রান্ত মামলায় অনিয়মের অভিযোগে সাভার মডেল থানার এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সর্বশেষ এ পদক্ষেপের মাধ্যমে থানাটির একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে চলমান নজরদারির বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) হেলাল উদ্দিনকে ঢাকা জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাভারের রাজাশন এলাকায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. জাহাঙ্গীর আলম। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কারণ জানেন না বলে জানিয়েছেন।

থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধারাবাহিকতা

সাভার মডেল থানার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে গত মে মাসের শেষ দিকে একই থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীকেও প্রত্যাহার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে এলাকার শীর্ষ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারে গাফিলতি, ওই ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ ওঠে। একই ধরনের অভিযোগে থানার আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্যকেও এর আগে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার পর বাড়ে আলোচনা

সূত্রগুলো জানায়, গত ২২ মে দেশ টিভি ও এসএ টিভির তিন সাংবাদিক রাজাশন এলাকায় শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত শামীম রেজার আস্তানায় সংবাদ সংগ্রহে যান।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে শামীম রেজা ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় ২১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

তবে অভিযোগ অনুযায়ী, মামলা হওয়ার পরও তৎকালীন ওসি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপর থেকেই থানার বিভিন্ন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা বাড়তে থাকে।

সাম্প্রতিক সময়ে সাভার মডেল থানার একাধিক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের ঘটনায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাভার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) হেলাল উদ্দিনকে প্রত্যাহার করে ঢাকা জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে থানার ওসিসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।