গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌর এলাকায় গত তিন দিনে একটি ভবঘুরে কুকুরের কামড়ে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। একের পর এক হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ থেকে ১৭ জুনের মধ্যে পৌরসভার কমলাপুর, চণ্ডীবর্দী ও টেংরাখোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। আহতদের মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে।
পথচারী ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, একটি ‘পাগলা’ কুকুর কয়েক দিন ধরে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করছে এবং সামনে যাকে পাচ্ছে তাকেই আক্রমণ করছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও পথচারীরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।
অনেকের শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ভীতি আরও বেড়েছে।

স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক
চণ্ডীবর্দী এলাকার বাসিন্দা মীর হাবিবুল্লাহ বলেন, পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে একটি পাগলা কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং কাউকে দেখলেই আক্রমণ করছে। বারবার এমন হামলার কারণে পুরো পৌরসভাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আরও মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা
মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাইহান ইসলাম শোভন জানান, গত তিন দিনে কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকাও দেওয়া হয়েছে।
তিনি স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবঘুরে বা সন্দেহজনক আচরণ করা কুকুরের কাছাকাছি না যাওয়াই নিরাপদ। কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ করতে হবে।
মুকসুদপুরে তিন দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে ২৫ জন আহত, আক্রান্তদের চিকিৎসা ও জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















