০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
নিখোঁজের ছয় দিন পর ঝোপ থেকে স্কুলছাত্রীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদে সহপাঠী চীনের তেলের ভাণ্ডার পূর্ণ, হরমুজ খুললেও মধ্যপ্রাচ্যের তেলে দ্রুত ফিরছে না বেইজিং স্কুলে শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পিটিএ জরুরি, বলছেন শিক্ষাবিদরা কাজাখস্তানে সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন: কম অপচয়ে বাড়ছে ফলন, বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র ২০২৬ সালে বৈশ্বিক খাদ্যবাজারে নতুন ঝুঁকি: দাম বাড়ার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা নতুন দুই মৃত্যু, ডেঙ্গুতে প্রাণহানি বেড়ে ৯; আক্রান্ত প্রায় ৫ হাজার নামাজরত অবস্থায় মসজিদে ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, জমি বিরোধে বরিশালে চাঞ্চল্য গাইবান্ধায় স্কুল পরিচালনা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিবির নেতা নিহত তিস্তা-ধরলা-দুধকুমারে পানি বৃদ্ধি, রংপুরে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা যমুনার পানি কমলেও থামছে না ভাঙন, সিরাজগঞ্জে ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে

যমুনার পানি কমলেও থামছে না ভাঙন, সিরাজগঞ্জে ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে

যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমলেও সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। এরই মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব বাহুকা এলাকায় নদীতীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় এ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বড় অংশের বাঁধ এবং আশপাশের স্থাপনা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ভাঙন ঠেকাতে জরুরি কাজ

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (সদর) নজমুল হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, যমুনার পানি সামান্য কমলেও বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, নদীর পানি নেমে যাওয়ার সময় তলদেশের কাছে শক্তিশালী স্রোত ও ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হচ্ছে। এসব ঘূর্ণাবর্ত বিশেষ করে চরাঞ্চলে তীরভাঙনকে আরও ত্বরান্বিত করছে। এর সঙ্গে মাঝেমধ্যে হওয়া ভারী বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

একাধিক উপজেলায় ভাঙনের বিস্তার

পূর্ব বাহুকার পাশাপাশি শাহজাদপুর, কাজীপুর, বেলকুচি, চৌহালী এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলেও ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং বাঁধের বিভিন্ন অংশ।

স্থানীয়দের মতে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে যমুনার ভাঙন নতুন করে দুর্ভোগ তৈরি করলেও এবার পানি কমার সময়েও ভাঙন অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ড

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেছেন, নদীর পানি কমতে শুরু করার পর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পূর্ব বাহুকার ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ রক্ষায় ইতোমধ্যে প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।

যমুনা অববাহিকাজুড়ে ভাঙনের এই পরিস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগের পাশাপাশি পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

যমুনার পানি কমলেও সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন অব্যাহত। পূর্ব বাহুকায় ৪০ মিটার বাঁধ ধসে পড়েছে, একাধিক উপজেলায় চলছে ক্ষয়ক্ষতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের ছয় দিন পর ঝোপ থেকে স্কুলছাত্রীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদে সহপাঠী

যমুনার পানি কমলেও থামছে না ভাঙন, সিরাজগঞ্জে ৪০ মিটার বাঁধ নদীগর্ভে

০৮:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমলেও সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। এরই মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব বাহুকা এলাকায় নদীতীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় এ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বড় অংশের বাঁধ এবং আশপাশের স্থাপনা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ভাঙন ঠেকাতে জরুরি কাজ

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (সদর) নজমুল হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, যমুনার পানি সামান্য কমলেও বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, নদীর পানি নেমে যাওয়ার সময় তলদেশের কাছে শক্তিশালী স্রোত ও ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হচ্ছে। এসব ঘূর্ণাবর্ত বিশেষ করে চরাঞ্চলে তীরভাঙনকে আরও ত্বরান্বিত করছে। এর সঙ্গে মাঝেমধ্যে হওয়া ভারী বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

একাধিক উপজেলায় ভাঙনের বিস্তার

পূর্ব বাহুকার পাশাপাশি শাহজাদপুর, কাজীপুর, বেলকুচি, চৌহালী এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলেও ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং বাঁধের বিভিন্ন অংশ।

স্থানীয়দের মতে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে যমুনার ভাঙন নতুন করে দুর্ভোগ তৈরি করলেও এবার পানি কমার সময়েও ভাঙন অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ড

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেছেন, নদীর পানি কমতে শুরু করার পর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পূর্ব বাহুকার ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ রক্ষায় ইতোমধ্যে প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।

যমুনা অববাহিকাজুড়ে ভাঙনের এই পরিস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগের পাশাপাশি পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

যমুনার পানি কমলেও সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন অব্যাহত। পূর্ব বাহুকায় ৪০ মিটার বাঁধ ধসে পড়েছে, একাধিক উপজেলায় চলছে ক্ষয়ক্ষতি।