০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
‘এখন ক্ষমতা আছে, গ্রেফতার দেখান, আমরাও শেষ দেখে নেবো’—আদালতে মাসুদ উদ্দিনের মন্তব্যের অভিযোগ সত্যের বিচারক কে? ভুয়া তথ্য দমনের নামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নতুন সংকট বিশ্বরাজনীতির বিশৃঙ্খলা আসলে দীর্ঘ ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ইরানের নতুন পারমাণবিক চুক্তির সামনে সবচেয়ে বড় বাধা পুরোনো অবিশ্বাস তিস্তার পানি কমলেও বাড়ছে ভাঙন, পাঁচ জেলায় এখনো পানিবন্দি ২০ হাজার পরিবার বয়স বাড়ার সঙ্গে মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে ভিটামিন সি মসজিদ সংস্কারের ১১.৮১ লাখ টাকার বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন, হাসনাত আবদুল্লাহকে ঘিরে বিতর্ক হাইলাইট: হোটেলে রাতভর ‘মৌজ মাস্তি’ করতেন এনসিপি নেতারা হাইলাইট: ‘শুধু ক্ষমা চাওয়া নয়, জামায়াতে ইসলামীর বিচারও হতে হবে’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চিপে নতুন সংকট, তাইওয়ানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা আরও বাড়ছে

হাইলাইট: হোটেলে রাতভর ‘মৌজ মাস্তি’ করতেন এনসিপি নেতারা

রাজধানীতে হোটেলকক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ধরে নানা ‘অশ্লীল-অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। হোটেলের সেই দুটিরুমে রাতভর ‘মৌজ মাস্তিতে’ যোগ দিতেন দলটির আরো কয়েক ডজন নেতা।

দৈনিক কালবেলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে দিন-রাত অবাধ আনাগোনা ছিল নারীদের। এমনকি হোটেল ভাড়া পরিশোধ না করেই চলে যান বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এনসিপির ওই নেতারা হলেন, ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ। এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্যসচিব।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনসিপির পাঁচ নেতার কাছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকার আবাসিক হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা হোটেল ভাড়া বকেয়া রয়েছে। ভাড়া নেওয়া রুমে নারীদের অবাধ যাতায়াত করতেও দেখা যায়। এ বিষয়ে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিটি কক্ষের দৈনিক ভাড়া ছিল ৩ হাজার টাকা। সে হিসাবে দুই কক্ষের মোট ভাড়া দাঁড়ায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা। বুকিংয়ের সময় তারা ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করলেও পরবর্তী সময়ে বাকি অর্থ পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, হোটেলে অবস্থানকালে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দলীয় নেতৃত্বের সহযোগিতায় বকেয়া অর্থ আদায় সম্ভব না হলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরবে।

এ বিষয়ে হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনালের হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কাজল বলেন, এনসিপির নেতারা হোটেলে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ছিলেন। হোটেল বুকিংয়ের সময় ১০ হাজার টাকা দিলেও পরে আর কোনো ভাড়া দেননি। হোটেলে যারা ছিলেন তাদের কারো বাসা শনিরআখড়া, জুরাইন আবার কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এখানে হোটেলে আসত, আড্ডা দিত রাতভর। তাদের সঙ্গেও লোকজন আসত। প্রায় তারা ‘নারীদের’ নিয়ে আসত। তাদের সঙ্গে যারা আসত তারাও ‘নারীদের’ নিয়ে আসত। আমরা বলেছি যে, নারী এলাওড না। তারা তখন বলেছে—আপনাদের কাজ আপনারা করেন, আমাদের কাজ আমাদের করতে দেন।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এখন ক্ষমতা আছে, গ্রেফতার দেখান, আমরাও শেষ দেখে নেবো’—আদালতে মাসুদ উদ্দিনের মন্তব্যের অভিযোগ

হাইলাইট: হোটেলে রাতভর ‘মৌজ মাস্তি’ করতেন এনসিপি নেতারা

০৩:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

রাজধানীতে হোটেলকক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ধরে নানা ‘অশ্লীল-অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। হোটেলের সেই দুটিরুমে রাতভর ‘মৌজ মাস্তিতে’ যোগ দিতেন দলটির আরো কয়েক ডজন নেতা।

দৈনিক কালবেলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে দিন-রাত অবাধ আনাগোনা ছিল নারীদের। এমনকি হোটেল ভাড়া পরিশোধ না করেই চলে যান বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এনসিপির ওই নেতারা হলেন, ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ। এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্যসচিব।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনসিপির পাঁচ নেতার কাছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকার আবাসিক হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা হোটেল ভাড়া বকেয়া রয়েছে। ভাড়া নেওয়া রুমে নারীদের অবাধ যাতায়াত করতেও দেখা যায়। এ বিষয়ে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিটি কক্ষের দৈনিক ভাড়া ছিল ৩ হাজার টাকা। সে হিসাবে দুই কক্ষের মোট ভাড়া দাঁড়ায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা। বুকিংয়ের সময় তারা ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করলেও পরবর্তী সময়ে বাকি অর্থ পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, হোটেলে অবস্থানকালে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দলীয় নেতৃত্বের সহযোগিতায় বকেয়া অর্থ আদায় সম্ভব না হলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরবে।

এ বিষয়ে হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনালের হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কাজল বলেন, এনসিপির নেতারা হোটেলে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ছিলেন। হোটেল বুকিংয়ের সময় ১০ হাজার টাকা দিলেও পরে আর কোনো ভাড়া দেননি। হোটেলে যারা ছিলেন তাদের কারো বাসা শনিরআখড়া, জুরাইন আবার কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এখানে হোটেলে আসত, আড্ডা দিত রাতভর। তাদের সঙ্গেও লোকজন আসত। প্রায় তারা ‘নারীদের’ নিয়ে আসত। তাদের সঙ্গে যারা আসত তারাও ‘নারীদের’ নিয়ে আসত। আমরা বলেছি যে, নারী এলাওড না। তারা তখন বলেছে—আপনাদের কাজ আপনারা করেন, আমাদের কাজ আমাদের করতে দেন।

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ