০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার পরের পরীক্ষা: নেতৃত্ব কি নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক সমৃদ্ধি আনবে? তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি: কিছু কথা রাজনীতির নতুন সূত্র: ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের মাংসের জোগান বইয়ের পাতার মতোই মুগ্ধতা ছড়ায় বিশ্বের ৭ অপূর্ব গ্রন্থাগার লুলুলেমন আনল ‘বিগ-অ্যাস ব্যাগ’, ৮০ লিটারের বিশাল টোট ব্যাগে ঢুকবে যেন পুরো সংসার শিশুদের মুখে নতুন হাসি, মিশিগানে ম্যাগির উইগস ৪ কিডস-এর ২৩তম বার্ষিক গালা নাসার রোমান টেলিস্কোপের নতুন ঠিকানার পথে তিন মাসের মহাকাশযাত্রা মাত্র ১০ সেন্টিমিটার উচ্চতার ‘কিউটি পাই’ গোলাপ, ছোট বাগান সাজাতে দারুণ প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানকে স্বনির্ভর করতে অভিভাবকের যে ৬টি পদক্ষেপ জরুরি বাড়িতে প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান থাকলে সম্পর্ক ভালো রাখার উপায়

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিতে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবেশাধিকার এখন সরকারের নিয়ন্ত্রণে

যুক্তরাষ্ট্রে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে নতুন এক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল কারা ব্যবহার করতে পারবে, তা এখন অনেকটাই সরকারের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। প্রযুক্তি খাতে এই পরিবর্তনকে বড় ধরনের নীতিগত মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে উদ্ভাবনের গতি, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং প্রযুক্তি নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি একটি শীর্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান তাদের সর্বাধুনিক মডেলের ব্যবহার সীমিত করে কেবল নির্বাচিত কয়েকটি বিশ্বস্ত অংশীদারের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময়ে আরেকটি উন্নত মডেলের ওপর আরোপিত রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ধাপে ধাপে শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অনুমতি, সীমাবদ্ধতা ও ব্যতিক্রমের জটিল এক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

নিয়ন্ত্রণহীনতার প্রতিশ্রুতি থেকে কঠোর নজরদারিতে

ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন শুরুতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল, কঠোর বিধিনিষেধ উদ্ভাবনকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং এতে প্রতিযোগী দেশগুলোর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিংয়ের কথা না বললেও, নতুন মডেল উন্মুক্ত করার আগে সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা কার্যত সেই ব্যবস্থাই তৈরি করেছে। এর ফলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

স্বচ্ছ নীতির দাবি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা বড় প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, তারা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও স্বচ্ছ, পূর্বানুমানযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা চায়। তাদের মতে, কোন পরিস্থিতিতে একটি মডেল সীমাবদ্ধ করা হবে, তার স্পষ্ট মানদণ্ড থাকা জরুরি।

প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন উন্নত মডেলের সক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য একটি গোপন মানদণ্ডভিত্তিক পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হবে। তবে এই মূল্যায়নের ভিত্তি কী হবে এবং কোন সীমা অতিক্রম করলে নিষেধাজ্ঞা আসবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই।

দক্ষ জনবল সংকটও বড় চ্যালেঞ্জ

নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে প্রযুক্তিগত দক্ষ জনবলের ঘাটতি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো জটিল প্রযুক্তি মূল্যায়নের জন্য বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হলেও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে সেই সক্ষমতা সীমিত। সাম্প্রতিক সময়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের একটি অংশ দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে।

এ অবস্থায় কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা ভবিষ্যতে এই খাতের নিয়ন্ত্রক হবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। কেউ সরাসরি সরকারি সংস্থার পক্ষে, আবার কেউ শিল্পখাতের অর্থায়নে পরিচালিত স্বাধীন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার পক্ষে মত দিচ্ছে।

Emboldened by Trump, A.I. Companies Lobby for Fewer Rules - The New York  Times

চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নতুন উদ্বেগ

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিয়ন্ত্রণ দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেই ধীর করে দিতে পারে। এদিকে চীনের উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল দ্রুত অগ্রগতি করছে। সেগুলোর অনেকগুলো তুলনামূলক কম খরচে ব্যবহার করা যায় এবং উন্মুক্ত কাঠামোয় পরিচালিত হওয়ায় সহজেই ডাউনলোড করে নিজস্ব কম্পিউটারে চালানো সম্ভব।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো যদি দীর্ঘ সময় অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিকল্প হিসেবে চীনের প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকতে পারে। এতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিনিয়োগেও দেখা দিতে পারে প্রভাব

অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরিতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। সাধারণত নতুন মডেল বাজারে আনার প্রথম কয়েক মাসেই প্রতিষ্ঠানগুলো বড় অংশের বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু অনুমোদন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে সেই সুযোগ সংকুচিত হবে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে যদি সীমিতসংখ্যক প্রতিষ্ঠানই উন্নত মডেলের ব্যবহার করতে পারে, তাহলে তথ্যকেন্দ্র নির্মাণসহ বড় বিনিয়োগের আগ্রহও কমে যেতে পারে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের সামগ্রিক উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক গতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

নীতিগত ভারসাম্যের খোঁজ

প্রযুক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি উদ্ভাবনের গতিও ধরে রাখা জরুরি। তাই অনেকের মতে, এমন একটি নীতিমালা প্রয়োজন যা একদিকে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করবে, অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বর্তমান পরিস্থিতি দেখিয়ে দিচ্ছে, সেই ভারসাম্য খুঁজে পাওয়াই এখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার পরের পরীক্ষা: নেতৃত্ব কি নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক সমৃদ্ধি আনবে?

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিতে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবেশাধিকার এখন সরকারের নিয়ন্ত্রণে

০৫:০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে নতুন এক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল কারা ব্যবহার করতে পারবে, তা এখন অনেকটাই সরকারের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। প্রযুক্তি খাতে এই পরিবর্তনকে বড় ধরনের নীতিগত মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে উদ্ভাবনের গতি, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং প্রযুক্তি নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি একটি শীর্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান তাদের সর্বাধুনিক মডেলের ব্যবহার সীমিত করে কেবল নির্বাচিত কয়েকটি বিশ্বস্ত অংশীদারের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময়ে আরেকটি উন্নত মডেলের ওপর আরোপিত রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ধাপে ধাপে শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অনুমতি, সীমাবদ্ধতা ও ব্যতিক্রমের জটিল এক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

নিয়ন্ত্রণহীনতার প্রতিশ্রুতি থেকে কঠোর নজরদারিতে

ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন শুরুতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল, কঠোর বিধিনিষেধ উদ্ভাবনকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং এতে প্রতিযোগী দেশগুলোর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিংয়ের কথা না বললেও, নতুন মডেল উন্মুক্ত করার আগে সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা কার্যত সেই ব্যবস্থাই তৈরি করেছে। এর ফলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

স্বচ্ছ নীতির দাবি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা বড় প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, তারা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও স্বচ্ছ, পূর্বানুমানযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা চায়। তাদের মতে, কোন পরিস্থিতিতে একটি মডেল সীমাবদ্ধ করা হবে, তার স্পষ্ট মানদণ্ড থাকা জরুরি।

প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন উন্নত মডেলের সক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য একটি গোপন মানদণ্ডভিত্তিক পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হবে। তবে এই মূল্যায়নের ভিত্তি কী হবে এবং কোন সীমা অতিক্রম করলে নিষেধাজ্ঞা আসবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই।

দক্ষ জনবল সংকটও বড় চ্যালেঞ্জ

নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে প্রযুক্তিগত দক্ষ জনবলের ঘাটতি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো জটিল প্রযুক্তি মূল্যায়নের জন্য বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হলেও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে সেই সক্ষমতা সীমিত। সাম্প্রতিক সময়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের একটি অংশ দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে।

এ অবস্থায় কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা ভবিষ্যতে এই খাতের নিয়ন্ত্রক হবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। কেউ সরাসরি সরকারি সংস্থার পক্ষে, আবার কেউ শিল্পখাতের অর্থায়নে পরিচালিত স্বাধীন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার পক্ষে মত দিচ্ছে।

Emboldened by Trump, A.I. Companies Lobby for Fewer Rules - The New York  Times

চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নতুন উদ্বেগ

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিয়ন্ত্রণ দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেই ধীর করে দিতে পারে। এদিকে চীনের উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল দ্রুত অগ্রগতি করছে। সেগুলোর অনেকগুলো তুলনামূলক কম খরচে ব্যবহার করা যায় এবং উন্মুক্ত কাঠামোয় পরিচালিত হওয়ায় সহজেই ডাউনলোড করে নিজস্ব কম্পিউটারে চালানো সম্ভব।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো যদি দীর্ঘ সময় অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিকল্প হিসেবে চীনের প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকতে পারে। এতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিনিয়োগেও দেখা দিতে পারে প্রভাব

অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরিতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। সাধারণত নতুন মডেল বাজারে আনার প্রথম কয়েক মাসেই প্রতিষ্ঠানগুলো বড় অংশের বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু অনুমোদন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে সেই সুযোগ সংকুচিত হবে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে যদি সীমিতসংখ্যক প্রতিষ্ঠানই উন্নত মডেলের ব্যবহার করতে পারে, তাহলে তথ্যকেন্দ্র নির্মাণসহ বড় বিনিয়োগের আগ্রহও কমে যেতে পারে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের সামগ্রিক উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক গতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

নীতিগত ভারসাম্যের খোঁজ

প্রযুক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি উদ্ভাবনের গতিও ধরে রাখা জরুরি। তাই অনেকের মতে, এমন একটি নীতিমালা প্রয়োজন যা একদিকে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করবে, অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বর্তমান পরিস্থিতি দেখিয়ে দিচ্ছে, সেই ভারসাম্য খুঁজে পাওয়াই এখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।