ব্রিটিশ গায়িকা অলিভিয়া ডিন আবারও সংগীতজগতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন। গায়ক স্যাম ফেন্ডারের সঙ্গে তাঁর দ্বৈত গান ‘রেইন মি ইন’ যুক্তরাজ্যের অফিসিয়াল সিঙ্গেলস চার্টে আরও এক সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রেখে বিরল এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এর মাধ্যমে গানটি মোট ১৫ সপ্তাহ এক নম্বরে থেকে দেশটির সংগীত ইতিহাসের তৃতীয় দীর্ঘতম সময় শীর্ষে থাকা গানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
১৫ সপ্তাহের শীর্ষস্থান
‘রেইন মি ইন’ মূলত স্যাম ফেন্ডারের একটি একক গান ছিল। পরে অলিভিয়া ডিনকে নিয়ে গানটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করা হলে এটি দ্রুত শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বিক্রি ও অনলাইন স্ট্রিমিং—দুই ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক সাফল্যের ফলে গানটি এখন পর্যন্ত মোট ১৫ সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
এই কৃতিত্বের মাধ্যমে গানটি তিন দশকেরও বেশি আগে প্রকাশিত জনপ্রিয় গান ‘লাভ ইজ অল অ্যারাউন্ড’–এর রেকর্ডের সমতায় পৌঁছেছে।
আরও বড় রেকর্ডের সামনে
বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ‘রেইন মি ইন’ খুব শিগগিরই আরও একটি ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়তে পারে। আগামী সপ্তাহেও যদি গানটি এক নম্বরে থাকতে পারে, তাহলে এটি ১৬ সপ্তাহ শীর্ষে থাকা আরেকটি কিংবদন্তি গানের রেকর্ড স্পর্শ করবে এবং যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম সময় এক নম্বরে থাকা গানের মর্যাদা পাবে।
তবে সর্বকালের রেকর্ড ভাঙতে এখনও কিছুটা পথ বাকি। সেই রেকর্ডটি ১৯৫৩ সাল থেকে অক্ষুণ্ন রয়েছে। ওই গানটি টানা ১৮ সপ্তাহ চার্টের শীর্ষে ছিল, যা এখনো কেউ অতিক্রম করতে পারেনি।
স্ট্রিমিংয়েই সাফল্যের মূল শক্তি
সংগীত বিশ্লেষকদের মতে, ‘রেইন মি ইন’-এর সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে অনলাইন স্ট্রিমিং। বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গানটি এখনও ব্যাপকভাবে শোনা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিক্রির তালিকাতেও এটি শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। ফলে চার্টের শীর্ষে থাকার লড়াইয়ে গানটি এখনো অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী।
অলিভিয়া ডিনের উত্থান
গত কয়েক বছরে অলিভিয়া ডিন যুক্তরাজ্যের অন্যতম সফল শিল্পীতে পরিণত হয়েছেন। একের পর এক জনপ্রিয় গান প্রকাশের পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। সাম্প্রতিক অ্যালবাম এবং একাধিক সফল গানের সুবাদে তাঁর জনপ্রিয়তা এখন যুক্তরাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।
‘রেইন মি ইন’-এর এই ধারাবাহিক সাফল্য শুধু অলিভিয়া ডিনের ক্যারিয়ারেই নতুন অধ্যায় যোগ করেনি, বরং যুক্তরাজ্যের সংগীত চার্টের ইতিহাসেও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















