০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
বিশ্ব যখন বিভক্তির পথে: অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা কীভাবে নতুন সংঘাতের ভিত্তি তৈরি করছে ইরানের কাছ থেকে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধের অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনার ‘দেশে ফেরার’ বক্তব্য নিয়ে যা বলছে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি জন্মের পরই জিন বিশ্লেষণ, আশীর্বাদ নাকি নতুন দুশ্চিন্তা? এক বছরে ২৫ শতাংশ বেড়েছে মাইক্রোসফটের কার্বন নিঃসরণ, এআই ডেটা সেন্টারের বিস্তারেই বাড়ছে চাপ বিটকয়েন ধসে এরিক ট্রাম্পের ৬০ কোটি ডলারেরও বেশি লোকসান, সংকটে পারিবারিক ক্রিপ্টো উদ্যোগ আইরল্যান্ডে পাসপোর্ট ফেরত পাওয়ার পর দেশ ছাড়লেন নিউইয়র্কের নারীর হত্যা মামলার সন্দেহভাজন, তদন্তে নতুন শঙ্কা যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের দাপট অব্যাহত, ৩৫ ডিগ্রি ছুঁয়েও স্বস্তির দেখা নেই ইন্টারনেটে ভুয়া ‘পোর্টেবল এসি’র ছড়াছড়ি, ৯০ সেকেন্ডে ঘর ঠান্ডার দাবি আসলে কতটা সত্য? বিতর্ক, স্পষ্টভাষিতা ও নিজস্ব অবস্থানে আলোচিত ছিলেন অ্যান উইডিকম্ব

প্রতি ১০ জন মা ২৪ সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন, প্রজনন হার বাড়ছে কেন

প্রতি ১০ জন মা ২৪ সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন, প্রজনন হার বাড়ছে কেন

প্রথম আলো,

প্রতি ১০ জন মা মোট ২৩ জন সন্তানের জন্ম দিতেন। আর এখন সেই সংখ্যাটা হয়েছে ২৪। বাড়ল মাত্র একজন, কিন্তু সেটাই বড় এক চাপ এবং ঝুঁকির আলামত হয়ে এসেছে। জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিপদ দেখছেন।

একটি জরিপ বলছে, দেশে প্রথমবারের মতো মোট প্রজনন হার বা টোটাল ফার্টিলিটি রেট (টিএফআর) সামান্য বেড়েছে। অর্থাৎ মায়েদের গড় সন্তানসংখ্যা কিছু বেড়েছে।

পাশাপাশি এক দশকের বেশি সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যন্ত জনবলসংকট চলছে, সরকারিভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর সরবরাহ নেই, অনেক দম্পতি প্রয়োজনের সময় তা পাচ্ছেন না।

সংকট বিশেষভাবে প্রকট হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিক থেকে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলজুড়ে। এখনো সংকটগুলো দূর করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিএফআর বাড়ার পেছনে রয়েছে এসব সংকট।

টানা বৃষ্টিতে পানের বরজে ধস, স্বপ্নভঙ্গ চাষিদের 

কালবেলা,

মেঘের পর মেঘ জমছিল আকাশে। কিন্তু সেই মেঘ যে তাদের সারাজীবনের পুঁজি আর স্বপ্ন এভাবে ধুয়ে-মুছে নিয়ে যাবে, তা ভাবতেও পারেননি পটুয়াখালীর বাউফল সদরের তিন কৃষক বেলায়েত খান, জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেন।

গত কয়েক দিনের বিরামহীন বর্ষণে মাটি নরম হয়ে ভেঙে পড়েছে পানের বরজ। মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে বেলায়েত খান, জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেনের দীর্ঘদিনের শ্রম আর বিনিয়োগ। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে প্রায় ১৭-২০ লাখ টাকা।messenger sharing button

পানের বরজ ভেঙে পড়ায় চাষিদের মাথায় হাত। ছবি: কালবেলা

৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ কৃষক বেলায়েত খান কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে। যা অর্থ ছিল সব এই বরজেই ঢেলেছিলাম।’

ছয় সদস্যের সংসার আর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো জাকির হোসেন ব্যাংক ও এনজিওর ঋণের জালে এখন বন্দি। একই অবস্থা জাহাঙ্গীর হোসেনেরও। ঋণের কিস্তি কীভাবে শোধ হবে, আর পরিবার কীভাবে বাঁচবে- এই চিন্তায় চোখে অন্ধকার দেখছেন তারা।

বৃষ্টির পানিতে বেনাপোল বন্দরে তলিয়েছে কোটি টাকার আমদানি পণ্য

জাগো নিউজ২৪,

একদিনের বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন শেডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোটি কোটি টাকার পণ্য হাঁটুপানিতে ভাসছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমদানিকারকরা। অবশ্য বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরে শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত মালামাল।

বৃষ্টির পানিতে বেনাপোল বন্দরে তলিয়েছে কোটি টাকার আমদানি পণ্য

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকেই বিরামহীনভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এ অঞ্চলে। একটানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩নং গেটের সামনে পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে গেছে। এসব পানি পাওয়ার পাম্প দিয়ে বের করার চেষ্টা চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারীরা এসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, ‘স্থানীয় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা অব্যবস্থাপনার কথা বলে এলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো কথা আমলে না নেওয়ায় প্রায় শতাধিক আমদানিকারক সব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বীমা না থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো ক্ষতিপূরণও দেয় না। পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কমিটি করা হলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। গত বছরের বর্ষার সময় কমিটির লোকজনের তৎপরতা ২/১ দিন দেখা গেলেও পরে এ নিয়ে আর কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি।’

১৯ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

কালের কণ্ঠ,

দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়।

১৯ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

 

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ব যখন বিভক্তির পথে: অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা কীভাবে নতুন সংঘাতের ভিত্তি তৈরি করছে

প্রতি ১০ জন মা ২৪ সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন, প্রজনন হার বাড়ছে কেন

১১:০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

প্রতি ১০ জন মা ২৪ সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন, প্রজনন হার বাড়ছে কেন

প্রথম আলো,

প্রতি ১০ জন মা মোট ২৩ জন সন্তানের জন্ম দিতেন। আর এখন সেই সংখ্যাটা হয়েছে ২৪। বাড়ল মাত্র একজন, কিন্তু সেটাই বড় এক চাপ এবং ঝুঁকির আলামত হয়ে এসেছে। জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিপদ দেখছেন।

একটি জরিপ বলছে, দেশে প্রথমবারের মতো মোট প্রজনন হার বা টোটাল ফার্টিলিটি রেট (টিএফআর) সামান্য বেড়েছে। অর্থাৎ মায়েদের গড় সন্তানসংখ্যা কিছু বেড়েছে।

পাশাপাশি এক দশকের বেশি সময় ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যন্ত জনবলসংকট চলছে, সরকারিভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর সরবরাহ নেই, অনেক দম্পতি প্রয়োজনের সময় তা পাচ্ছেন না।

সংকট বিশেষভাবে প্রকট হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিক থেকে নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলজুড়ে। এখনো সংকটগুলো দূর করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিএফআর বাড়ার পেছনে রয়েছে এসব সংকট।

টানা বৃষ্টিতে পানের বরজে ধস, স্বপ্নভঙ্গ চাষিদের 

কালবেলা,

মেঘের পর মেঘ জমছিল আকাশে। কিন্তু সেই মেঘ যে তাদের সারাজীবনের পুঁজি আর স্বপ্ন এভাবে ধুয়ে-মুছে নিয়ে যাবে, তা ভাবতেও পারেননি পটুয়াখালীর বাউফল সদরের তিন কৃষক বেলায়েত খান, জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেন।

গত কয়েক দিনের বিরামহীন বর্ষণে মাটি নরম হয়ে ভেঙে পড়েছে পানের বরজ। মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে বেলায়েত খান, জাকির হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেনের দীর্ঘদিনের শ্রম আর বিনিয়োগ। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে প্রায় ১৭-২০ লাখ টাকা।messenger sharing button

পানের বরজ ভেঙে পড়ায় চাষিদের মাথায় হাত। ছবি: কালবেলা

৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ কৃষক বেলায়েত খান কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে। যা অর্থ ছিল সব এই বরজেই ঢেলেছিলাম।’

ছয় সদস্যের সংসার আর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো জাকির হোসেন ব্যাংক ও এনজিওর ঋণের জালে এখন বন্দি। একই অবস্থা জাহাঙ্গীর হোসেনেরও। ঋণের কিস্তি কীভাবে শোধ হবে, আর পরিবার কীভাবে বাঁচবে- এই চিন্তায় চোখে অন্ধকার দেখছেন তারা।

বৃষ্টির পানিতে বেনাপোল বন্দরে তলিয়েছে কোটি টাকার আমদানি পণ্য

জাগো নিউজ২৪,

একদিনের বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন শেডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোটি কোটি টাকার পণ্য হাঁটুপানিতে ভাসছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমদানিকারকরা। অবশ্য বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরে শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত মালামাল।

বৃষ্টির পানিতে বেনাপোল বন্দরে তলিয়েছে কোটি টাকার আমদানি পণ্য

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকেই বিরামহীনভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এ অঞ্চলে। একটানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩নং গেটের সামনে পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে গেছে। এসব পানি পাওয়ার পাম্প দিয়ে বের করার চেষ্টা চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারীরা এসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, ‘স্থানীয় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা অব্যবস্থাপনার কথা বলে এলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো কথা আমলে না নেওয়ায় প্রায় শতাধিক আমদানিকারক সব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বীমা না থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো ক্ষতিপূরণও দেয় না। পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কমিটি করা হলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। গত বছরের বর্ষার সময় কমিটির লোকজনের তৎপরতা ২/১ দিন দেখা গেলেও পরে এ নিয়ে আর কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি।’

১৯ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

কালের কণ্ঠ,

দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়।

১৯ জেলায় ঝড়-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।