০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুইজ্জুর তথ্য কমিশনার বাছাই: তথ্যের অধিকার কি রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে ঝুঁকছে? লস অ্যাঞ্জেলেস ছাড়তে চেয়েছিলেন স্ত্রী, রাজি ছিলেন না স্বামী—শেষ পর্যন্ত কেন কেনটাকিতেই নতুন জীবন ব্রিটেনের রিজার্ভ বাহিনী কেন আজ অবহেলার প্রতীক আগামী ১০ বছরে সবচেয়ে বেশি বাড়তে পারে যেসব উচ্চ বেতনের চাকরি সন্তানের জন্ম উদযাপন করি, কিন্তু মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের খবর রাখি কি? দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমন মৌসুমে বিএডিসির কর্মবিরতি, সার সরবরাহে বিঘ্নের শঙ্কা জাপানের বন্ডে ৩০ বছরের রেকর্ড, বিশ্বজুড়ে ঋণবাজারে ধস আরও গভীর ফ্ল্যাট ব্যালে জুতার দিন শেষ, শরৎজুড়ে তারকাদের পায়ে এবার হিল ট্রাম্পকে ‘না’ বলার সাহস দেখাতে হবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে: সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান

মিনেসোটায় ক্ষমার পরও শিশুধর্ষণে দণ্ডিত অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার

যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দণ্ডিত লাওসের এক অবৈধ অভিবাসীকে শেষ পর্যন্ত দেশ থেকে বহিষ্কার করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ। মিনেসোটার গভর্নরের নেতৃত্বাধীন ক্ষমা পর্যালোচনা কমিশন তার দণ্ড মওকুফ করলেও পরে তার বৈধ অবস্থান বাতিল করে প্রশাসন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।

বহিষ্কারের ঘোষণা

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে ওই ব্যক্তির বৈধ অবস্থান বাতিল করা হয়। এরপর ফেডারেল কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন এবং শুক্রবার তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপের ফলে তিনি আর কখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারবেন না।

Local Resources for Child Sexual Abuse Victims | Taylor & Ring

ক্ষমা পেলেও শেষ রক্ষা হয়নি

৪২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি মিনেসোটার ক্ষমা পর্যালোচনা কমিশনের মাধ্যমে ক্ষমা পান। এই কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং প্রধান বিচারপতি।

ক্ষমা পাওয়ার ফলে তার আগের দণ্ডের রেকর্ড কার্যত বাতিল হয়ে যায় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কারের যে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা আর কার্যকর থাকেনি।

তবে পরে ফেডারেল প্রশাসন পৃথকভাবে তার অভিবাসন-সংক্রান্ত বৈধ মর্যাদা বাতিল করে এবং বহিষ্কারের উদ্যোগ নেয়।

পুরোনো মামলার ঘটনা

ওই ব্যক্তিকে ২০০৫ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে একাধিকবার যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। মামলার সময় তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেন এবং নিজের আচরণের পক্ষে সাংস্কৃতিক রীতিনীতির কথা তুলে ধরেন।

Gov Tim Walz pardons illegal immigrant convicted of child sexual assault:  DHS | Fox News

প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভুক্তভোগীকে চুপ থাকার জন্য অর্থ দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি গুরুতর অপরাধকে তিনি তুচ্ছ বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক

এই ঘটনাকে ঘিরে মিনেসোটায় ক্ষমা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে, ফেডারেল প্রশাসনের পদক্ষেপকে অভিবাসন আইন প্রয়োগের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে অঙ্গরাজ্যের ক্ষমা এবং ফেডারেল অভিবাসন নীতির মধ্যে পার্থক্য আবারও আলোচনায় এসেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মুইজ্জুর তথ্য কমিশনার বাছাই: তথ্যের অধিকার কি রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে ঝুঁকছে?

মিনেসোটায় ক্ষমার পরও শিশুধর্ষণে দণ্ডিত অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার

১১:০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দণ্ডিত লাওসের এক অবৈধ অভিবাসীকে শেষ পর্যন্ত দেশ থেকে বহিষ্কার করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ। মিনেসোটার গভর্নরের নেতৃত্বাধীন ক্ষমা পর্যালোচনা কমিশন তার দণ্ড মওকুফ করলেও পরে তার বৈধ অবস্থান বাতিল করে প্রশাসন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।

বহিষ্কারের ঘোষণা

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে ওই ব্যক্তির বৈধ অবস্থান বাতিল করা হয়। এরপর ফেডারেল কর্মকর্তারা তাকে আটক করেন এবং শুক্রবার তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপের ফলে তিনি আর কখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারবেন না।

Local Resources for Child Sexual Abuse Victims | Taylor & Ring

ক্ষমা পেলেও শেষ রক্ষা হয়নি

৪২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি মিনেসোটার ক্ষমা পর্যালোচনা কমিশনের মাধ্যমে ক্ষমা পান। এই কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং প্রধান বিচারপতি।

ক্ষমা পাওয়ার ফলে তার আগের দণ্ডের রেকর্ড কার্যত বাতিল হয়ে যায় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কারের যে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল, তা আর কার্যকর থাকেনি।

তবে পরে ফেডারেল প্রশাসন পৃথকভাবে তার অভিবাসন-সংক্রান্ত বৈধ মর্যাদা বাতিল করে এবং বহিষ্কারের উদ্যোগ নেয়।

পুরোনো মামলার ঘটনা

ওই ব্যক্তিকে ২০০৫ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে একাধিকবার যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। মামলার সময় তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেন এবং নিজের আচরণের পক্ষে সাংস্কৃতিক রীতিনীতির কথা তুলে ধরেন।

Gov Tim Walz pardons illegal immigrant convicted of child sexual assault:  DHS | Fox News

প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভুক্তভোগীকে চুপ থাকার জন্য অর্থ দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি গুরুতর অপরাধকে তিনি তুচ্ছ বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক

এই ঘটনাকে ঘিরে মিনেসোটায় ক্ষমা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে, ফেডারেল প্রশাসনের পদক্ষেপকে অভিবাসন আইন প্রয়োগের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে অঙ্গরাজ্যের ক্ষমা এবং ফেডারেল অভিবাসন নীতির মধ্যে পার্থক্য আবারও আলোচনায় এসেছে।