১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
মেটার ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল তথ্যকেন্দ্র প্রকল্প, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন বিনিয়োগের রেকর্ড শেইনের হংকং শেয়ার বাজারে প্রবেশের পথ খুলল, মূল্যায়ন হতে পারে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি গোল্ডম্যান স্যাকসের শীর্ষ আইনজীবীকে ঘিরে নতুন উদ্বেগ, পদ ছাড়ার পরও কাটছে না বিতর্ক স্বর্ণের পতনে নড়ে উঠল নিরাপদ আশ্রয়ের বিশ্বাস, জ্বালানি খরচে কমছে দামের ঝলক সিরেন হেড থেকে হলিউডের নতুন আতঙ্কের ব্যবসা, অনলাইন ভয়ের গল্পে কোটি টাকার সম্ভাবনা ভক্সওয়াগেনের নতুন সংকট ৫০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে জার্মান কারখানা ভিএআর ছাড়াই ফুটবল! সুইডেনে প্রযুক্তিবিহীন খেলা নিয়ে সমর্থকদের ঐতিহাসিক জয় রোলিং স্টোনসের নতুন গান নিয়ে বিতর্ক, আমেরিকাকে ভালোবাসা হারানোর বার্তা দিলেন মিক জ্যাগার আন্তর্জাতিক আদালত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন বার্তা যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার নতুন সেতু নিয়ে টোল বিতর্ক, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ

ইউক্রেন সংকটের শেষ লড়াইয়ে লিন্ডসে গ্রাহাম, নিষেধাজ্ঞা আইনের স্বপ্ন নিয়েই শেষ যাত্রা

মার্কিন রাজনীতির প্রভাবশালী নেতা লিন্ডসে গ্রাহাম ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আনার উদ্যোগ নিয়ে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত কাজ করেছেন। ইউক্রেন সফর শেষে দেশে ফেরার পরপরই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে

ইউক্রেনের পক্ষে শেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা

মৃত্যুর আগে গ্রাহাম ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থান করছিলেন। সেখানে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন এবং যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

গ্রাহামের বিশ্বাস ছিল, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে পারলে যুদ্ধের সমাপ্তির পথ তৈরি হতে পারে। এ লক্ষ্যেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্য ও সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছিলেন।

নিষেধাজ্ঞা আইন নিয়ে বড় অগ্রগতি

Inside Lindsey Graham's Final Mission: Saving Ukraine - tovima.com

গ্রাহামের শেষ দিনগুলোতে তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আইন কার্যকর করা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সমর্থন পাওয়ার পর তিনি এই উদ্যোগকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখেছিলেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে নানা পরিবর্তন ও মতপার্থক্যের মধ্যেও গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনকে সমর্থনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি কংগ্রেস, প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক মিত্রদের মধ্যে সমন্বয় তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যান।

কিয়েভ সফরের শেষ মুহূর্ত

কিয়েভে গ্রাহাম ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তিতে দুই দেশের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নের বিষয়েও আগ্রহ দেখান।

জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের সময় দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট তাকে ঐতিহ্যবাহী পোশাক উপহার দেন এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।

Inside Lindsey Graham's Final Mission: Saving Ukraine - WSJ

রাজনৈতিক জীবনের স্মরণীয় অধ্যায়

গ্রাহাম দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি একদিকে রিপাবলিকান দলের অভ্যন্তরীণ বিতর্কে সক্রিয় ছিলেন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন।

তার সহকর্মীরা মনে করেন, ইউক্রেন ইস্যুতে তার কৌশলী ভূমিকা এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সক্ষমতা তাকে আলাদা অবস্থান তৈরি করে দিয়েছিল।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তার যে পরিকল্পনা ছিল, তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা।

লিন্ডসে গ্রাহামের শেষ মিশন ছিল যুদ্ধ বন্ধের পথ খুঁজে বের করা এবং ইউক্রেনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন আরও শক্তিশালী করা।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মেটার ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল তথ্যকেন্দ্র প্রকল্প, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন বিনিয়োগের রেকর্ড

ইউক্রেন সংকটের শেষ লড়াইয়ে লিন্ডসে গ্রাহাম, নিষেধাজ্ঞা আইনের স্বপ্ন নিয়েই শেষ যাত্রা

১১:০০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন রাজনীতির প্রভাবশালী নেতা লিন্ডসে গ্রাহাম ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আনার উদ্যোগ নিয়ে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত কাজ করেছেন। ইউক্রেন সফর শেষে দেশে ফেরার পরপরই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে

ইউক্রেনের পক্ষে শেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা

মৃত্যুর আগে গ্রাহাম ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থান করছিলেন। সেখানে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন এবং যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

গ্রাহামের বিশ্বাস ছিল, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে পারলে যুদ্ধের সমাপ্তির পথ তৈরি হতে পারে। এ লক্ষ্যেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্য ও সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছিলেন।

নিষেধাজ্ঞা আইন নিয়ে বড় অগ্রগতি

Inside Lindsey Graham's Final Mission: Saving Ukraine - tovima.com

গ্রাহামের শেষ দিনগুলোতে তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আইন কার্যকর করা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সমর্থন পাওয়ার পর তিনি এই উদ্যোগকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখেছিলেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে নানা পরিবর্তন ও মতপার্থক্যের মধ্যেও গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনকে সমর্থনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি কংগ্রেস, প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক মিত্রদের মধ্যে সমন্বয় তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যান।

কিয়েভ সফরের শেষ মুহূর্ত

কিয়েভে গ্রাহাম ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তিতে দুই দেশের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি ইউক্রেনের ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নের বিষয়েও আগ্রহ দেখান।

জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের সময় দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট তাকে ঐতিহ্যবাহী পোশাক উপহার দেন এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।

Inside Lindsey Graham's Final Mission: Saving Ukraine - WSJ

রাজনৈতিক জীবনের স্মরণীয় অধ্যায়

গ্রাহাম দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি একদিকে রিপাবলিকান দলের অভ্যন্তরীণ বিতর্কে সক্রিয় ছিলেন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন।

তার সহকর্মীরা মনে করেন, ইউক্রেন ইস্যুতে তার কৌশলী ভূমিকা এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সক্ষমতা তাকে আলাদা অবস্থান তৈরি করে দিয়েছিল।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তার যে পরিকল্পনা ছিল, তা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন অনেক মার্কিন আইনপ্রণেতা।

লিন্ডসে গ্রাহামের শেষ মিশন ছিল যুদ্ধ বন্ধের পথ খুঁজে বের করা এবং ইউক্রেনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন আরও শক্তিশালী করা।