বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
কালের কণ্ঠ,
বঙ্গোপসাগর লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্ভাবাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
‘স্বপ্নের’ কর্ণফুলী টানেল এখন যেন ‘দুঃস্বপ্ন’
জাগো নিউজ২৪,
দেশের প্রথম ও দক্ষিণ এশিয়ার নদী তলদেশের দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ সড়ক কর্ণফুলী টানেল। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ টানেলটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ১০ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর টানেলটি থেকে দৈনিক যে পরিমাণ টোল আদায় হচ্ছে তারচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটাতে। এই ঘাটতি সামাল দিতে সরকারের গচ্চা দিতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
চট্টগ্রাম শহরকে নদীর দক্ষিণ তীরের আনোয়ারা প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত করে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে সংযুক্ত করেছে কর্ণফুলী টানেল। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ টানেল নতুন অর্থনৈতিক করিডোর হয়ে ওঠার কথা থাকলেও বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। ‘আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি’র এ প্রকল্পটি এখন সরকারের জন্য ‘বিষফোঁড়া’ হয়ে উঠেছে। আয়-ব্যয়ের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় ‘স্বপ্নের’ কর্ণফুলী টানেল এখন যেন হয়ে উঠেছে ‘দুঃস্বপ্ন’।

সরকারের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০২৬ সালের প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, টানেল নির্মাণ প্রকল্পটির সমীক্ষায় ভুল ছিল। যে কারণে টানেলে এখন দৈনিক ১০ লাখ টাকা বা বছরে সাড়ে ৩৬ কোটি টাকা গচ্চা দিতে হচ্ছে।
শুধু তা-ই নয়, বিনা কারণে প্রকল্প এলাকায় সার্ভিস এরিয়ার নামে ৪৮৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, মূলত প্রকল্পের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে সাময়িকভাবে স্থানীয়দের জমি নিয়ে বাংলো বা অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধভাবে।
‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
যুগান্তর,
প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
-69981cda2ac4b-6a570e98c26ff.jpg)
এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের ১৭ ও ১৮ নম্বর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিশুদের প্রতিভা ও মননশীলতার বিকাশে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে এসব প্রতিযোগিতা ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশের স্কুলপর্যায়ের ২ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান করা হবে।
ফের বাড়ছে তিস্তা–দুধকুমার নদের পানি
যায়যায়দিন,
কুড়িগ্রামের সব নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। জেলার তিস্তা ও দুধকুমার নদ–নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ওই নদ–নদীতে ভাঙনও দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, উজানের ঢলে জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বেড়েছে। ধরলা নদীর পানি তালুকশিমুলবাড়ী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১ দশমিক ৯ মিটার এবং তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজানের ঢলে ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদ–নদীর পানি সমতলে বাড়ছে। নদ-নদীর পানি আরও বাড়লে বিশেষ করে তিস্তা নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকডাঙ্গা, চর বলদিয়া এবং নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ হাজীরবাজার, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ায় চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়ন, চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাটি ও কড়াইবরিশাল চরে ভাঙন শুরু হয়েছে। গত এক মাসের ভাঙনে চিলমারী ইউনিয়নের শতাধিক বসতবাড়ি এবং একটি আশ্রয়ণ প্রকল্প ব্রহ্মপুত্রে বিলীন হয়েছে।
চিলমারী উপজেলার শাখাহাটি চর এলাকার বাসিন্দা আবদুর রহমান (৫৫) বলেন, ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে জীবনে ১৫ বার বসতভিটা হারিয়েছি। এবার শেষ আশ্রয়টুকুও নদীতে চলে গেলে আমাদের আর কোথাও যাওয়ার জায়গা থাকবে না।
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















