৮ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস
জাগো নিউজ২৪,
দুপুর ১টার মধ্যে দেশের আট অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অঞ্চলগুলো হলো- খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
হামে আক্রান্ত ১৮% শিশুর বয়স ছয় মাসের নিচে
প্রথম আলো,
ছয় মাসের কম বয়সী অনেক শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে হাম নিয়ে আসা ১৮ শতাংশ শিশুর
বয়স ছয় মাসের নিচে। এত কম বয়সী শিশুদের হামে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা রোগতত্ত্ববিদ ও শিশুবিশেষজ্ঞদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।
একটি সাধারণ ধারণা প্রচলিত ছিল যে শিশুরা মায়ের কাছ থেকে হামের মতো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা পায়। আবার মায়ের দুধ শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলে। মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে দেশে হামের টিকা দেওয়া হতো ৯ মাস বয়স থেকে। নিকট অতীতে রোগতত্ত্ববিদদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ৯ মাসের কম বয়সীরাও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই এ বছর হাম-রুবেলার টিকার জাতীয় ক্যাম্পেইনের সময় ছয় মাস বয়সীদেরও টিকার আওতায় আনা হয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ছয় মাসের কম বয়সী শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে।

গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭১০ জন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এসেছে। এ বছর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৩১৮ জনের। এই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৫ জন। এর মধ্যে গতকাল হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত পরিসংখ্যান থেকে কোন বয়সী মানুষ বা কোন বয়সী শিশুরা হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে বেশি আসছে, কোন বয়সীদের বেশি মৃত্যু হচ্ছে—এ ধরনের বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। কিছুটা তথ্য পাওয়া যায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিসংখ্যানে।
আওয়ামী লীগ নেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘অযোগ্য’ ঘোষণার প্রস্তাব জামায়াতের
বিডি নিউজ২৪,
একজন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, আওয়ামী লীগের বিষয়ে যে প্রস্তাব জামায়াত দিয়েছে, সেটা আচরণবিধির বিষয়ই নয়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা যাতে নির্দলীয় প্রতীকের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনেও অংশ নিতে না পারে, সেই বিধান করার প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে দিয়েছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

দলটির প্রস্তাব হল, সরকার যেসব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে, সেসব দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতা–কর্মীদের ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য’ ঘোষণা করার বিধান স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালায় যুক্ত করত হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা হালনাগাদ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চেয়ে গত ১০ জুন চিঠি পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সই করা মতামত দেওয়া হয় ৩০ জুন।
প্রশাসনে চলছে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি
কালের কণ্ঠ,
প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি চলছে। ব্যক্তিগত দক্ষতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাদারিকে নিয়োগ ও পদোন্নতির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সিনিয়র সচিব ও সচিব পদে এই পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছে সরকার।
পদোন্নতি, দপ্তর পরিবর্তন, অবসর গ্রহণ ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ—এই চারটি প্রক্রিয়ার সমন্বয়ে ছয় থেকে ১০টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে এই পরিবর্তন আসতে পারে। নতুন মুখ দেখা যেতে পারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন, ভূমি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই সচিব পর্যায়ের এই রদবদলের আদেশ জারি হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

যেসব সচিবের চাকরির মেয়াদ বা চুক্তির মেয়াদ শেষের পথে, তাঁদের স্থলে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এর ব্যতিক্রমও আছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনকে আরে গতিশীল ও কার্যকর করতে সততা, দক্ষতা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে এসব পদে নিয়োগ দেওয়ার কাজ চলছে। গুরুত্বপূর্ণ এসব মন্ত্রণালয়ে নতুন পদায়নের ক্ষেত্রে কর্মদক্ষ ও গ্রহণযোগ্য কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৭ জুলাই অবসরে যাচ্ছেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। অর্থসচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার নিয়মিত অবসরে যাচ্ছেন অক্টোবরে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এ দুজনকেই এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।
পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া প্রথমে রাষ্ট্রপতির সচিব, পরবর্তী সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা সর্বশেষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. এহছানুল হক। তিনি ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন।
সারাক্ষণ ডেস্ক 



















