০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থানের জ্বালানি: হারিয়ে যাওয়া গৌরবের নস্টালজিয়া জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরানোয় তাইয়েবকে হুমকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি এডিপি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন হার, দুই মাসে অগ্রগতি মাত্র ১.৮৫ শতাংশ ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬৫৫ বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ছকে দেখলে ভারতেরই কৌশলগত ক্ষতি নাক থেকে অন্ত্র—শরীরের অদৃশ্য প্রতিরক্ষা দেয়াল, কীভাবে কাজ করে মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম?

দিল্লিতে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমন নিয়ে আদালতের কড়া নির্দেশ, নজরদারির সব তথ্য সংরক্ষণের আদেশ

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগকে ঘিরে নতুন মোড় নিয়েছে আইনি লড়াই। দিল্লি উচ্চ আদালত ঘটনাসংশ্লিষ্ট সব নজরদারি চিত্র, দৃশ্যধারণ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্র সরকার ও দিল্লি পুলিশকে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অভিযোগের জবাব চাইল আদালত

আদালতে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী সেপ্টেম্বরে।

আদালত স্পষ্ট করে জানায়, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সব নজরদারি চিত্র ও অন্যান্য প্রমাণ প্রচলিত বিধি অনুসারে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে তদন্ত বা বিচারপ্রক্রিয়ায় সেগুলো ব্যবহার করা যায়।

Inside Delhi Student Protests: Demanding Education Reforms

বলপ্রয়োগ নিয়ে আদালতের প্রশ্ন

শুনানির সময় বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, কোনো সমাবেশ বেআইনি হলেও সেটি নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। তাই ঘটনায় কীভাবে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।

আদালত আরও জানায়, জনস্বার্থে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উঠলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককে আলাদাভাবে মামলা করতে বলা সব সময় যথাযথ সমাধান হতে পারে না। তবে অভিযোগের সত্যতা বা প্রচারিত দৃশ্যের নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে এই পর্যায়ে আদালত কোনো মন্তব্য করেনি।

স্বাধীন তদন্তের দাবি

আবেদনকারীদের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শুরু হয়েছিল এবং তারা সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করছিলেন। তাদের মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগে পুলিশকে সতর্কবার্তা দেওয়া ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

India police baton-charge students as exam protest turns chaotic | Malay  Mail

এ কারণে পুলিশের নিজস্ব সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে একটি স্বাধীন তদন্ত দল গঠনের আবেদনও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নজরদারি চিত্র, দেহে ধারণ করা ক্যামেরার ভিডিও, জরুরি সেবার নথি এবং বলপ্রয়োগের অনুমোদনসংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষণের অনুরোধ করা হয়।

দৃশ্যধারণে উঠে এসেছে নানা অভিযোগ

আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, ঘটনাসংশ্লিষ্ট বহু দৃশ্যধারণ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কিছু ব্যক্তির গায়ে পুলিশি পোশাক বা পরিচয়চিহ্ন ছিল না। এছাড়া একজন নারী বিক্ষোভকারীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়।

আদালত এখন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জবাব পাওয়ার পর অভিযোগগুলোর পরবর্তী আইনি অগ্রগতি নির্ধারণ করবে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

দিল্লিতে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমন নিয়ে আদালতের কড়া নির্দেশ, নজরদারির সব তথ্য সংরক্ষণের আদেশ

১১:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগকে ঘিরে নতুন মোড় নিয়েছে আইনি লড়াই। দিল্লি উচ্চ আদালত ঘটনাসংশ্লিষ্ট সব নজরদারি চিত্র, দৃশ্যধারণ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্র সরকার ও দিল্লি পুলিশকে অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অভিযোগের জবাব চাইল আদালত

আদালতে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনে শিক্ষার্থী বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী সেপ্টেম্বরে।

আদালত স্পষ্ট করে জানায়, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সব নজরদারি চিত্র ও অন্যান্য প্রমাণ প্রচলিত বিধি অনুসারে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে তদন্ত বা বিচারপ্রক্রিয়ায় সেগুলো ব্যবহার করা যায়।

Inside Delhi Student Protests: Demanding Education Reforms

বলপ্রয়োগ নিয়ে আদালতের প্রশ্ন

শুনানির সময় বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, কোনো সমাবেশ বেআইনি হলেও সেটি নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। তাই ঘটনায় কীভাবে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।

আদালত আরও জানায়, জনস্বার্থে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উঠলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককে আলাদাভাবে মামলা করতে বলা সব সময় যথাযথ সমাধান হতে পারে না। তবে অভিযোগের সত্যতা বা প্রচারিত দৃশ্যের নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে এই পর্যায়ে আদালত কোনো মন্তব্য করেনি।

স্বাধীন তদন্তের দাবি

আবেদনকারীদের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শুরু হয়েছিল এবং তারা সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করছিলেন। তাদের মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আগে পুলিশকে সতর্কবার্তা দেওয়া ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

India police baton-charge students as exam protest turns chaotic | Malay  Mail

এ কারণে পুলিশের নিজস্ব সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে একটি স্বাধীন তদন্ত দল গঠনের আবেদনও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নজরদারি চিত্র, দেহে ধারণ করা ক্যামেরার ভিডিও, জরুরি সেবার নথি এবং বলপ্রয়োগের অনুমোদনসংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষণের অনুরোধ করা হয়।

দৃশ্যধারণে উঠে এসেছে নানা অভিযোগ

আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, ঘটনাসংশ্লিষ্ট বহু দৃশ্যধারণ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কিছু ব্যক্তির গায়ে পুলিশি পোশাক বা পরিচয়চিহ্ন ছিল না। এছাড়া একজন নারী বিক্ষোভকারীর সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়।

আদালত এখন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জবাব পাওয়ার পর অভিযোগগুলোর পরবর্তী আইনি অগ্রগতি নির্ধারণ করবে।